April 12, 2026
873187d61d92b4a48575255eb93296bd1770030066319223_original.jpg
Spread the love


নয়া দিল্লি: পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর পর পাকিস্তান সরকার তাদের অফিসিয়াল এক্স  হ্যান্ডেলে ঘোষণা করে যে তারা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করবে।

এই সিদ্ধান্তের জেরে আদতে আইসিসি-র সঙ্গে হাইব্রিড মডেলের চুক্তিও ভেঙে যাবে। কারণ, ভারতের মাটিতে পাকিস্তানের না খেলার দাবি মেনে নেয় আইসিসি। তাই নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলা হওয়ার কথা। অর্থাৎ, শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ হওয়ার কথা। কিন্তু তারপরেও ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিল পাকিস্তান।

সরকারের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টে বলা হয়েছে, “পাকিস্তানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্র সরকার ২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে অনুমোদন দিচ্ছে, তবে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেট দল মাঠে নামবে না।”

এর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার অতুল ওয়াসান সংবাদসংস্থা এনডিটিভিকে বলেন, “পাকিস্তান সমস্ত ক্রিকেট দেশ এবং আইসিসিকেও সমস্যায় ফেলেছে। আইসিসির জন্য তাদের বহিষ্কার করার এটাই সঠিক সময়।”

ওয়াসান আরও বলেন যে এতে ভারতের কোনও ক্ষতি হবে না। বরং পাকিস্তান ক্রিকেটের বিরাট ক্ষতি হবে। তিনি বিশ্বাস করেন যে পাকিস্তান ক্রিকেটকে শিক্ষা দিয়ে আইসিসির জন্য উদাহরণ স্থাপনের এটিই উপযুক্ত সুযোগ।

আইসিসির তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মত বড় টুর্নামেন্টে যে দলগুলো অংশ নেবে তারা সবাই আইসিসির নিয়ম মেনেই সব ম্য়াচে অংশ নেবে। কিন্তু পাকিস্তান যদি ধরে ধরে কিছু নির্দিষ্ট ম্য়াচেই খেলতে চায়, তাহলে তো টুর্নামেন্টের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে। সে দেশের সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলেও এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য ও বিশ্ব ক্রিকেটের অগনিত সমর্থকদের জন্য একেবারেই ভাল খবর নয়।

ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড-এর জন্য সম্ভাব্য পরিণতি হিসেবে আইসিসি যেই বিষয়গুলোর ওপর নজর দিয়েছে, তা হল আইসিসির বার্ষিক রাজস্বর যে অংশ সেই ভাগ পাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের। রাজস্ব ক্ষতির জন্য জিও-স্টার-কে পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।  এছাড়া আইসিসির অন্য় দুটো বড় ইভেন্ট টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। এমনকী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে দেওয়া হতে পারে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে। 

কলম্বোয় ১৫ ফেব্রুয়ারি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে মহারণ। কিন্তু বাংলাদেশের সমর্থনে এমন সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান সরকার। এই সিদ্ধান্তের জন্য বড় শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে পাকিস্তানকে। বিশ্বকাপ থেকে ব্যান করে দেওয়া হতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী, শেষপর্যন্ত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে, প্রায় ২০০ কোটি ক্ষয়ক্ষতি হবে দুই বোর্ডের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks