Iran US War : অপরিশোধিত তেলের হাহাকারের (Crude Oil Crisis) সময় বড় ভাণ্ডার হাতছাড়া হল ভারতের। গুজরাতে আসার সঙ্কেত দিয়ে চিনের পথে চলে যাচ্ছে ৬ লক্ষ ব্যারেল ক্রড অয়েল (Iran Crude Oil)। সমুদ্রপথে যাত্রার সময় ভারতে আসার সঙ্কেত দিয়েছিল ইরানের এই তেল রফতানির জাহাজ। যদিও পরে গন্তব্য পরিবর্তন করেছে এই তেলের ট্যাঙ্কারগুলি।
কীভাবে পাওয়া গেল এই খবর ?
জাহাজের যাত্রাপথের ডেটা দেখেই এই খবর পাওয়া গেছে। ইরানের তেল বিক্রির ওপর আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা থাকায় এই দীর্ঘ সাত বছর এই জাহাজ চলা বন্ধ ছিল। জাহাজের ডেটা ট্র্যাকিং ফিল্ড কেপলারের তথ্য বলছে, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে এই ট্যাঙ্কারটি গুজরাতের ভাদিনার আসবে বলে গন্তব্য দেখিয়েছিল। আসলে ২০০২ সালে তৈরি হয়েছিল আফরাম্য়াক্সের এই পণ্যবাহী জাহাজ পিং শুন। যদিও ২০২৫ সালে এই জাহাজের ওপর নিষধাজ্ঞা জারি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার জন্যই এই পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয় কোম্পানিকে।
ভারতে এই তেল আদৌ আসতে পারত ?
আন্তর্জাতিক বিশ্বে তেল আমদানিতে রয়েছে নানা বিধি নিষেধ। যে কারণে ইরানের এই তেল ভারতে ঢুকলে , দীর্ঘ সাত বছরে পর কোনও তেহরানের তেলবাহী ট্যাঙ্কার আমাদের দেশে নামত। ২০১৯ সালের পর ভারতে ইরান থেকে কোনও তেল আমদানি করেনি। আন্তর্জাতিক বিশ্বে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার কারণেই এই পথে হাঁটেনি ভারত।
তিন দিন আগেও ভারত ছিল এই ট্য়াঙ্কারের গন্তব্য
রিফাইনিং ও মডেলিং কোম্পানি কেপলার প্রধান গবেষণা বিশেষজ্ঞ সুমিত রিতোলিয়া জানিয়েছেন, তিন দিন আগেও গুজরাতের ভাদিনারকেই গন্থব্য দেখাচ্ছিল এই তেলভর্তি ট্যাঙ্কার। যদিও পরে এটি ভারতকে তার ঘোষিত গন্তব্যের তালিকা থেকে বাদ দেয়। পরিবর্তে চিনের ডংইয়াংয়ে সিগনাল দেয় এই পণ্য়বাহী জাহাজ।
কেন জাহাজের এই সিদ্ধান্ত মাঝপথে বদল ?
এখনও বিষয়টি স্পষ্ট নয় বেল জানিয়েছেন রিতোলিয়া। তিনি জানিয়েছেন, এই বিষয়ে এখনও আমদানিকারক ও রফতানিকারী কোম্পানির পরিচয় জানা যায়নি। তবে টাকার লেনদেন সংক্রান্ত কোনও সমস্যা থেকেই এই পরিস্থিতি হয়ে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তবে, জাহাজের অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস)-এ প্রদর্শিত গন্তব্যস্থলটি এখনও চূড়ান্ত নয়। আসলে যাত্রার যেকোনও পর্যায়ে তা পরিবর্তন করা যেতে পারে। এআইএস হল বেশিরভাগ বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য একটি বাধ্যতামূলক ট্র্যাকিং ব্যবস্থা।
