চেন্নাই: গোটা বিশ্বকাপেই তিলক বর্মার (Tilak Varma) ফর্ম নিয়ে জোর চর্চা হয়েছে। তিনি দলের হয়ে প্রতিটি ম্য়াচ খেললেও মূলত তাঁর রানের গতি নিয়েই উঠছিল প্রশ্ন। বৃহস্পতিবার তাঁকে ব্যাটিং অর্ডারে ডিমোট করা হয়। তিনের বদলে ছয় নম্বরে ব্যাটিং করতে নামেন তিলক। জিম্ববোয়ের বিরুদ্ধে (IND vs ZIM) জয়ও পায় ভারতীয় দল। টপ অর্ডার থেকে ফিনিশার, টুর্নামেন্টের মাঝেই হঠাৎ ব্যাটিং পজিশন বদলে যাওয়ায় তাঁর কোনও সমস্যা হয়নি? কী বলছেন তিলক?
তিলক কিন্তু তাঁর ব্যাটিং পজিশন বদল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে তিনি অতীতেও তাঁর ফ্র্যাঞ্চাইজি দল তো বটেই, ভারতের হয়েও মিডল অর্ডারে ব্যাট করেছেন। তাই এই ভূমিকা তাঁর জন্য নতুন কিছু নয়। পাশাপাশি ভারতের তারকা ব্যাটার এও স্পষ্ট করে দেন যে দলের প্রয়োজনে তিনি যে কোনও পজিশনেই ব্যাটিং করতে পারেন। পাশাপাশি তিনিও এও স্পষ্ট করে দেন যে তাঁর ছন্দে ফিরতে একটা ইনিংসেরই প্রয়োজন ছিল এবং সেটা খেলার পর বর্তমানে তিনি আত্মবিশ্বাস ফিরে পিয়েছেন।
জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ১৬ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলার পর তিলক বলেন, ‘আমি তো বরাবরই বলে এসেছি যে দল আমার থেকে যা চায়, আমি তার জন্য সবসময় প্রস্তুত। আমি তো বিগত চার বছর ধরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে এই ভূমিকা পালন করেছি এবং ভারতীয় দলের হয়েও কয়েকটা ম্যাচ ওই পজিশনে খেলেছি। তাই দলের হয়ে যে কোনও স্থানে খেলতে আমি তৈরি। পরিস্থিতি অনুযায়ী আমি মানিয়ে নিতে পারি। আমার খালি একটা ভাল ইনিংসের প্রয়োজন ছিল। ঈশ্বরের কৃপায় সেটা খেলতে পেরেছি এবং আসন্ন ম্যাচগুলির জন্য আমি বেশ আত্মবিশ্বাসী যে আমি দলকে ম্যাচ জেতাতে তৈরি।’
তবে এদিন তিলক রান পেয়ে ছন্দে ফিরলেও, সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারলেন না সঞ্জু স্যামসন। শুরুটা ভাল করেও তিনি ২৪ রানে সাজঘরে ফেরেন। তাঁর শট নির্বাচনে হতাশ সুনীল গাওস্করও। ম্যাচে ধারাভাষ্য দেওয়া প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার বলেন, গাওস্করকে বলতে শোনা যায়, ‘ও নিজেও হতাশ হবে, কারণ ওই একই জায়গায় ও বহুবার আগেও আউট হয়েছে। সবাই জানে ওর বিরুদ্ধে ডিপ স্কোয়ার লেগ রেখে শর্ট বল কর, আর এক্ষেত্রে মুজ়ারাবানির উচ্চতাও বলকে বাড়তি বাউন্স প্রদান করে। সেই কারণেই স্যামসন বলটা ঠিক মতো মিডল করতে পারেননি। ও আবারও ডিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরল।’
