March 14, 2026
ecb91bf15502bc14c848ff46792059081773480064341394_original.jpeg
Spread the love


Show Quick Read

Key points generated by AI, verified by newsroom

Share Market Crash : ভারতের শেয়ার বাজারে (Indian Stock Market) আশঙ্কার মধ্যেই আশার ইঙ্গিত দিচ্ছেন বাজার (Stock Market Prediction) বিশেষজ্ঞরা। চরম হতাশার মধ্যে এই দুই সেক্টরে বিনিয়োগের (Investment) পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। পাশাপাশি কবে বাজার ঘুরবে, দিয়েছেন তার ইঙ্গিত।   

অস্থিরতা ভয়ের বদলে বড় সুযোগ 
মনে রাখতে হবে, মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, অপরিশোধিত তেলের চড়া দাম ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের (FII) লাগাতার শেয়ার বিক্রির জেরে ভারতীয় শেয়ার বাজার বর্তমানে বেশ চাপে। তবে এই অস্থিরতাকে ভয়ের বদলে বড় সুযোগ হিসেবেই দেখছেন বাজার বিশেষজ্ঞ সন্দীপ ট্যান্ডন। তাঁর মতে, বর্তমানের এই কারেকশন বা পতন আসলে একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্র তৈরি করছে।

এই মার্কেটে পতনের শেষ কোথায় ?
ট্যান্ডন জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে শেয়ার বাজার যে শিখরে পৌঁছেছিল, সেই চক্রের পতন সম্ভবত ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে থিতু হতে পারে। তাঁর মতে, বাজার বর্তমানে ‘ক্যাপিচুলেশন’ (Capitulation) বা চরম হতাশার পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সাধারণত এই স্তরে পৌঁছেই বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে সব শেয়ার বিক্রি করে দেন, যা বাজারের তলানি (Bottom) ছোঁয়ার লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়।

কী বলছেন এই বাজার বিশেষজ্ঞ
সন্দীপ ট্যান্ডন বলেছেন, “প্রতিটি সংকটই একটি সুযোগ নিয়ে আসে। বর্তমান অস্থিরতাকে আবেগের চোখে না দেখে পোর্টফোলিও নতুন করে সাজানোর কাজে ব্যবহার করা উচিত।”

বিনিয়োগকারীদের জন্য পরামর্শ
বর্তমান বাজারে টিকে থাকতে ট্যান্ডন কিছু বিশেষ কৌশল অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন:

১ আবেগ বর্জন: লোকসানের ভয়ে আতঙ্কিত না হয়ে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

২ পোর্টফোলিও রিব্যালেন্সিং: যেসব স্টকের রিটার্ন দেওয়ার ক্ষমতা বেশি, সেখানে নজর দিন। যে শেয়ারগুলোর দাম অতিরিক্ত বেশি (High P/E), সেগুলো থেকে আপাতত দূরত্ব বজায় রাখাই শ্রেয়।

৩ সঠিক এন্ট্রি : যখন বিনিয়োগকারীদের আস্থা সবথেকে কম থাকে, তখনই শেয়ার বাজারে প্রবেশের সেরা সময় হতে পারে।

কোন কোন সেক্টরে বাজিমাত হতে পারে ?
বাজারে অস্থিরতা থাকলেও বেশ কিছু নির্দিষ্ট খাতের ওপর ভরসা রাখছেন তিনি। তাঁর পছন্দের তালিকায় রয়েছে:

১ টেলিকম (Telecom): কাঠামোগত পরিবর্তনের সুফল এই সেক্টর পেতে পারে।

২ বিমা (Insurance) ও এএমসি (AMC): আর্থিক পরিষেবার এই বিভাগগুলো দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক হওয়ার সম্ভাবনা।

৩ ফার্মা (Pharma): স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির জন্য ওষুধ শিল্পে বিনিয়োগ নিরাপদ হতে পারে।

ভারতীয় অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি উন্নতির ওপর আস্থা রেখে ট্যান্ডন জানান যে, তেলের দাম বা বিশ্ব রাজনীতি সাময়িকভাবে চাপ সৃষ্টি করলেও ভারতের ‘গ্রোথ স্টোরি’ বা উন্নয়নের ধারা বজায় থাকবে।

( মনে রাখবেন : এখানে প্রদত্ত তথ্য শুধুমাত্র তথ্যের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে। এখানে উল্লেখ করা জরুরি যে, বাজারে বিনিয়োগ করা ঝুঁকি সাপেক্ষ। বিনিয়োগকারী হিসাবে অর্থ বিনিয়োগ করার আগে সর্বদা একজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করুন। ABPLive.com কখনও কাউকে এখানে অর্থ বিনিয়োগ করার পরামর্শ দেয় না। এখানে কেবল শিক্ষার উদ্দেশ্যে এই শেয়ার মার্কেট সম্পর্কিত খবর দেওয়া হয়।কোনও শেয়ার সম্পর্কে আমরা কল বা টিপ দিই না।)



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks