February 24, 2026
737d04c618df48e62b50448f00a799521764690743528507_original.jpg
Spread the love


Show Quick Read

Key points generated by AI, verified by newsroom

হায়দরাবাদ: সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে (Syed Mustaq Ali Trophy) শুরুটা ভাল করেও, গত ম্যাচে অভিষেক শর্মা-ঝড়ে উড়ে গিয়েছিল বাংলা। অভিমন্য়ু ঈশ্বরণের শতরান সত্ত্বেও ১১২ রানের বিরাট ব্যবধানে পরাজিত হতে হয়েছিল বাংলাকে। তবে নাগাড়ে দ্বিতীয় ম্যাচে দলের বোলিংটা খুব একটা আহামরি না হলেও, জয়ে ফিরল বাংলা। সৌজন্যে দলের ওপেনার করন লাল (Karan Lal)। অনবদ্য শতরান হাঁকিয়ে তিনি বাংলাকে গ্রুপ ‘সি’-র ম্য়াচে হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে পাঁচ উইকেটে জয় এনে দিলেন।

এদিন টস হেরে প্রথমে বোলিংয়ে নামে বাংলা দল। পাওয়ার প্লেতে ৫০ রানে মহম্মদ শামি ও শাহবাজ আমেদ হিমাচলের দুই ওপেনারকে সাজঘরে ফেরালেও, প্রতিরোধ গড়ে তোলে দলের মিডল অর্ডার। তৃতীয় উইকেটে একান্ত সেন এবং পুখরাজ মান ১২৬ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। দুইজনে নজরকাড়া অর্ধশতরান হাঁকান। একান্ত ৫০ বলে ৮৯ রানের ইনিংস খেলেন, পুখরাজ ৩৬ বলে করেন ৭৯ রান।

এদিন বহু মাস পরে নিজের কামব্যাক ম্যাচে খেলতে নামা মুকেশ কুমার ছন্দে দেখানো একান্ত উইকেটটি নিলেও চার ওভারে ৪১ রান খরচ করেন। মহম্মদ শামিও চার ওভারে ৩১ রানে এক উইকেট নেন। তবে আকাশ দীপকে একেবারেই ছন্দে দেখায়নি। দুই ওভারে ৩৫ রান খরচ করেন বাংলা তথা ভারতে ফাস্ট বোলার। বাংলার হয়ে এদিন সেরা বোলার শাহবাজ আমেদ। চার ওভারে ৩৬ রান খরচ করলেও, তিনি তিনটি মহাগুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন। ২০ ওভারে পাঁচ উইকেটের বিনিময়ে ২০৮ রানে হিমাচলের ইনিংস থামে।

বাংলার সামনে লক্ষ্যটা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে বাংলার দুই ওপেনার করন ও অভিষেক পোড়েল বিধ্বংসী মেজাজে ইনিংসের শুরুটা করেন। মাত্র ১৫ বলে অর্ধশতরান পূরণ করেন করন লাল। অষ্টম ওভারে কোনও উইকেট না হারিয়েই শতরানের গণ্ডি পার করে ফেলে বাংলা। অভিষেক ৪১ ও গত ম্য়াচের সেঞ্চুরিয়ন অভিমন্যু পাঁচ রানে আউট হলে বাংলার রানের গতি খানিকটা কমে। তবে করন যেন এদিন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়েই মাঠে নেমেছিলেন।

প্রথম ম্যাচে বঢোদরার বিরুদ্ধে ২১ বলে ৪২ রানের ইনিংসের পর তাঁর ব্যাট থেকে তেমন নজরকাড়া ইনিংস আসেনি। তবে আজ একেবারে শতরানই হাঁকিয়ে ফেললেন তিনি। ইনিংসের শেষের দিকে কেরিয়ারের প্রথম টি-টোয়েন্টি শতরান হাঁকিয়ে করন আউট হন বটে, তবে সুদীপ ঘরামি এবং আকাশ দীপ বাকি কাজটা করে দেন। সুদীপ আট বলে ১৮ ও আকাশ দীপ পাঁচ বলে ১৭ রানের ছোট, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। ফলে আট বল বাকি থাকতেই পাঁচ উইকেটে ম্য়াচ জিতে নেয় বাংলা। ৫০ বলে আটটি চার ও ১০টি ছক্কার সুবাদে ১১৩ রানের ইনিংস খেলা করনকেই স্বাভাবিকভাবে ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয়। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks