কলকাতা: রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় উলুখাগড়ার প্রাণ যায়!মধ্য়প্রাচ্য়ে আমেরিকা-ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের ভয়ঙ্কর যুদ্ধ চলছে!আর এর জেরে মধ্য়প্রাচ্য়ের বিভিন্ন দেশে আটকে পড়েছে বহু ভারতীয়! এই ক’দিনে, যুদ্ধের আঁচ খুব কাছ থেকে দেখেছেন তাঁরা। জানিয়েছেন তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা।
কুয়েতে শ্যেফ হিসেবে কাজ করেন মনোজিৎ মণ্ডল। বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায়। আমেরিকা-ইজরায়েল-ইরানের সংঘাতের আবহে রীতিমত আতঙ্কে রয়েছেন। মাঝে মাঝেই উড়ে যাচ্ছে ইরানের বোমা, মিসাইল। মূলত তাদের টার্গেট মার্কিন সামরিক ঘাঁটি। কবে বাড়ি ফিরবেন জানেন না, এবিপি আনন্দকে জানালেন মনোজিৎ।
দুবাইয়ে বসবাসকারী বিজ্ঞানী অভ্রশঙ্কর রায় বলেছেন, শনিবার থেকে আমরা মাঝেমাঝেই অনেক বিকট শব্দ শুনছি। পরে বুঝেছি সেগুলো মিসাইল বা ড্রোন। আমার অফিস জেবেল আলি এলাকায়। সেখানে বন্দর এবং এয়ারপোর্ট ২ টোই আছে। সেই কারণে সেখানে অতিরিক্ত আক্রমণ হচ্ছিল। সরকারি তথ্য় অনুযায়ী, এখনও অবধি ১ হাজারের কাছাকাছি ড্রোন অ্য়াটাক হয়েছে ২৫০-র কাছাকাছি মিসাইল। যদি সেগুলো সব আদতে হিট করত, প্রাণহানির সংখ্য়া কী লেভেলে যেত! আকাশে হঠাৎ মিসাইলের ঝলকানি, কিম্বা কান ফাটানো বিস্ফোরণের শব্দ।
দোহায় কর্মরত হাবড়ার বাসিন্দা আব্দুল হাকিম বলেন, ওই ওপরে, দেখছেন…বিস্ফোরণ হয়েছে…এই মুহূর্তে দেখুন আকাশে হেলিকপ্টার ঘুরছে। একদিকে, ইরানের ওপর লাগাতার হামলা চালাচ্ছে আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ শক্তিধর বাহিনী! অন্য়দিকে দুর্বল হলেও, ইরানও বুঝিয়ে দিয়েছে, তারাও বিনাযুদ্ধে জমি ছাড়বে না। আমেরিকার বন্ধু-দেশ, যেখানে তাদের সৈন্য় ঘাঁটি রয়েছে…সেগুলোকে টার্গেট করে মিসাইল ছুড়ছে ইরান। বাহরিন, ইরাক, জর্ডন, কুয়েত, কাতার, সিরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী… একের পর এক দেশকে নিশানা করছে তারা। এই দেশগুলিতে অসংখ্য় ভারতীয়র বাস, তাই মহা ফাঁফরে পড়েছেন তাঁরা! যেমন, কলকাতার বাসিন্দা, বিজ্ঞানী অভ্রশঙ্কর রায়। কর্মসূত্রে থাকেন দুবাইতে।
