চেন্নাই: ইনিংসের শুরুটা বেশ নড়বড়েই হয়েছিল, শুরুতেই ফিরেছিলেন সঞ্জু স্যামসন। তবে তা সত্ত্বেও পঞ্জাব কিংসের (Punjab Kings) বিরুদ্ধে দু’শোর রানের গণ্ডি পার করে ইনিংস শেষ করল চেন্নাই সুপার কিংস (Chennai Super Kings)। সৌজন্যে মুম্বই ত্রয়ী, আয়ুষ মাত্রে, শিবম দুবে ও সরফরাজ খান। তরুণ আয়ুষ মাত্রে (Ayush Mhatre) টপ অর্ডারে ব্যাট করে সর্বাধিক ৭৩ রানের ইনিংস খেললেন। আর মিডল ওভারে সরফরাজ খান ও শিবম দুবে (Shivam Dube) নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করে বড় বড় শট খেলেন। এই তিনের সুবাদেই পাঁচ উইকেটে ২০৯ রান তুললল সিএসকে।
পঞ্জাব কিংসের হয়ে কিন্তু ফের একবার বল হাতে নজর কাড়লেন বিজয়কুমার বিশাখ (Vijaykumar Vyshak)। গত ম্যাচের পর এই ম্যাচেও বিশাখ দুইটি উইকেট নেন। সেই দুই উইকেটের সুবাদেই পার্পল ক্যাপের মালিকও হয়ে গেলেন তিনি। তাঁর বোলিংয়ে খানিকটা হলেও সিএসকেকে বেঁধে রাখতে সক্ষম হল পঞ্জাব কিংস। এবার দেখার সিএসকের জয়ের জন্য এই রান যথেষ্ট, না কি চিপকেই হলুদ ব্রিগেডকে হারিয়ে পঞ্জাব তাদের বিরুদ্ধে নিজেদের সাম্প্রতিক দাপট বজায় রাখে।
এদিন নাগাড়ে দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পঞ্জাব কিংস। শুরুটা মন্দ করলেও সিএসকের হয়ে দ্বিতীয় উইকেটে প্রায় শতরানের পার্টনারশিপে দলকে ম্যাচে ফেরান আয়ুষ ও রুতুরাজ গায়কোয়াড়। ৯৬ রানের পার্টনারশিপে অবশ্য আয়ুষের অবদানই বেশি ছিল। তিনি ২৯ বলে এক দুরন্ত অর্ধশতরান পূরণ করেন। রুতুরাজ অপরদিকে সিনিয়র পার্টনার হলেও, তিনি গোটা পার্টনারশিপেই মূলত এক দুই রান নিয়ে আয়ুষকে স্ট্রাইকে আনার চেষ্টাই করে যান। তাতে লাভও হয়। তবে যুজবেন্দ্র চাহালের বলে ২৮ রানে ফিরতে হয় রুতুকে।
রুতু আউট হওয়ার পরপর দুই ওভারে আরও দুই উইকেট হারায় সিএসকে। ৭৩ রানে সাজঘরে ফেরেন আয়ুষ, মাত্র এক রানে ফেরেন নিলামে ঝড় তোলা কার্তিক শর্মা। তবে এরপরেই সরফরাজ খান আক্রমণ শুরু করেন। ফাস্ট বোলারদের বিরুদ্ধে একের পর এক বাউন্ডারি মারতে থাকেন তিনি। বিজয়কুমার বিশাখ ১২ বলে তাঁর ৩২ রানের ইনিংস থামানোর পর আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের দায়িত্বটা কাঁধে তুলে নেন শিবম দুবে। বিশ্বজয়ী ভারতীয় ক্রিকেটার সময় এবং সুযোগ বুঝে নিজের শক্তি প্রদর্শন করেন। তিনি ২৭ বলে ৪৫ রানে অপরাজিত থাকেন। বোর্ডে বেশ চ্যালেঞ্জিং টোটাল তোলে হলুদ ব্রিগেড।
