আমদাবাদ: টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে ভারত। রাত পোহালেই আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মহারণ। ট্রফির যুদ্ধে নামবে ভারত ও নিউজ়িল্যান্ড।
তবে এখনও অনেকে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ম্যাচের উত্তেজনায় মজে। রোমাঞ্চকর যে ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৭ রানে হারিয়েছিল ভারত। এখনও অনেকে ভুলতে পারছেন না, কীভাবে শিবম দুবে শেষ ওভারে বল করতে এসে ২২ রান খরচ করলেন। ১৮তম ওভারে যশপ্রীত বুমরা মাত্র ৬ রান না দিলে কী হতো, সেটা ভাবলেও শিউরে উঠছেন অনেকেই।
২০২৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারত প্রথমে ব্যাট করে ২৫৩ রান করে ফেলেছিল। এর পরেও টিম ইন্ডিয়ার জয় নিশ্চিত ছিল না, কারণ ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরাও শক্তিশালী মনোভাব নিয়ে মাঠে নেমেছিল। জেকব বেথেল ১০৫ রান করেন, কিন্তু যশপ্রীত বুমরাই ছিলেন জয়ের কারিগর। যিনি খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ২ ওভার করেন এবং ম্যাচের মোড় টিম ইন্ডিয়ার দিকে ঘুরিয়ে দেন। এরই মধ্যে শিবম দুবে শেষ ওভারটি করেন। কিন্তু এটা কি আগে থেকেই ঠিক ছিল যে দুবে-ই শেষ ওভারটি করবেন?
শেষ ওভারে ইংল্যান্ডের জয়ের জন্য ৩০ রান দরকার ছিল। ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করা জেকব বেথেল তখনও ক্রিজে ছিলেন, তাই এক ওভারে ৩০ রান করা অসম্ভব বলা যাচ্ছিল না। শেষ ওভারের দায়িত্ব শিবম দুবের উপর এসে পরে। ভাল দিক হল যে তিনি প্রথম বলেই জেকব বেথেলকে আউট করে ভারতের জয় নিশ্চিত করেন। তবে জোফ্রা আর্চার শিবম দুবের ওভারে ৩টি ছক্কা মারেন।
শেষ ওভার কার করার কথা ছিল?
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের শেয়ার করা একটি ভিডিওতে শিবম দুবে বলেছেন, “আমি জানতাম যে ওভারের প্রথম ২ বল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে, কারণ ২ বল ঠিকঠাক গেলে ম্যাচ আমাদের দিকে চলে আসত। এটা আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল যে শেষ ওভার আমাকে করতে হবে। আমি ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শেষ ওভার করা সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং হয়।”
দুবে আরও বলেন, “বেথেল সেঞ্চুরি করে ফেলেছিল, তাই আমার ধারণা ছিল শেষ ওভার সহজ হবে না। আমি নিজের উপর বিশ্বাস রেখেছিলাম এবং নিজের যোগ্যতার উপর ভরসা রেখেছিলাম।” শিবম দুবে সেমিফাইনাল ম্যাচে ব্যাট হাতে সফল। ২৫ বলে ৪৩ রানের মূল্যবান ইনিংসও খেলেছিলেন।
