March 24, 2026
120e177feb60167c127e3c653f0a66801774337163540338_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি: ঋণের পরিমাণ ২৯৮৩ কোটি টাকা। অথচ মাত্র ২৬ কোটি টাকাতেই মিটমাট হয়ে গিয়েছে। অনিল আম্বানির বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে মিটমাটে এমন ফাঁঁকফোকর নিয়ে এবার উদ্বেগ প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরের রিপোর্ট থেকেই বিষয়টি তুলে ধরল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। (Anil Ambani)

প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ গোটা ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অনিল ধীরুভাই আম্বানি গ্রুপের (ADAG) বিরুদ্ধে ৪০০০০ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতিতে তদন্ত চেয়ে দায়ের হওয়া মামলার শুনানি চলছিল। তদন্তে ED এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা CBI-এর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। তদন্তে কেন এত ঢিলেমি জানতে চাওয়া হয়। দ্রুত বিষয়টির নিষ্পত্তি করতে বলে আদালত। (Supreme Court)

আগেই নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করে সেই মতো মিটমাটের আবেদন জানিয়েছিল ADAG. কিন্তু যে উপায়ে মিটমাট করা হয়েছে, ন্যূনতম টাকার বিনিময়ে মীমাংসা করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আবেদনকারী। আদালত সেই নিয়ে কোনও মন্তব্য না করলেও, ED-র রিপোর্টে দেখে উদ্বেগ ধরা পড়ে বিচারপতিদের গলায়। কারণ ওই রিপোর্টে বলা ছিল, যে ২৯৮৩ কোটির ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ ছিল, ২৬ কোটির বিনিময়ে তা মিটিয়ে নিয়েছেন অনিল। 

জানা গিয়েছে, ৮টি ‘ননব্যাঙ্কিং’ অর্থনৈতিক সংস্থা এ ব্যাপারে মধ্যস্থতা করে। ‘Project Help’ নামের বিশেষ কর্মসূচিত গৃহীত হয়, যার মাধ্যমে বকেয়া ঋণের নিষ্পত্তি হয়। শুনানি চলাকালীন ED এবং CBI-কে তদন্তের গতিবৃদ্ধি করতে বলেন বিচারপতিরা। তদন্তপ্রক্রিয়া যাতে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ , পক্ষপাতমুক্ত থাকে, সেই নির্দেশও দেওয়া হয়। এতে কেন্দ্রের হয়ে সওয়াল করা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, ED-র আধিকারিকদের নিয়ে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্য়ে তদন্ত শেষ করার লক্ষ্য় রয়েছে।

অনিলের বিপুল পরিমাণ বকেয়া ঋণ নামমাত্র মূল্যে মকুব করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে বেশ কিছুদিন ধরেই। নিয়মকানুনের তোয়াক্কা করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে। কেন এখনও পর্যন্ত উচ্চপদে ছাকা লোকজনকে গ্রেফতার করা হল না, শুধুমাত্র নীচুস্তরের আধিকারিকদের কেন গ্রেফতার করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মামলাকারীর আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। এতে সলিসিটর জেনারেল বলেন, “কাকে গ্রেফতার করা উচিত, কাকে নয়, তা নিয়ে মন্তব্য করা উচিত নয়।” এর পরই প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, “তদন্তকারী সংস্থাগুলির মধ্যে ইতস্তত ভাব দেখা গিয়েছে। সেটা কাম্য নয়। দ্রুততার সঙ্গে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া উচিত।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks