আমদাবাদ: গ্রুপ পর্বে ভারতীয় দল চার প্রতিপক্ষকেই পরাজিত করেছে। অপরাজিতভাবেই টিম ইন্ডিয়া সুপার এইটে কোয়ালিফাই করেছে। তবে সুপার এইটে তাঁদের সামনে চ্যালেঞ্জ আরও কড়া হবে। ভারতীয় দলের সঙ্গে গ্রুপ ১-এ থাকা বাকি তিন দলও কিন্তু অপরাজিতভাবেই শেষ আটে পৌঁছেছে। তাই সুপার এইটের প্রতিটি ম্য়াচেই নতুন চ্যালেঞ্জ আসবে। ভারতকে এই রাউন্ডে প্রথম চ্যালেঞ্জ জানাবে দক্ষিণ আফ্রিকা (IND vs SA)।
আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গতবারের বিশ্বকাপের দুই ফাইনালিস্ট একে অপরের মুখোমুখি হবে। সেই ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের একাদশ কেমন হবে, সেই নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে কৌতূহল রয়েছে। সুপার এইটের আগে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের জন্য সবথেকে বড় চিন্তার কারণ হল অভিষেক শর্মার (Abhishek Sharma) ফর্ম। তিন ম্য়াচ খেলে ফেললেও, এখনও চলতি মেগা টুর্নামেন্টে খাতাই খুলতে পারেননি বিশ্বের এক নম্বর টি-টোয়েন্টি ব্যাটার (আইসিসি ব়্যাঙ্কিং অনুযায়ী)। তাঁর জায়গায় কি তাহলে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সঞ্জু স্যামসনকে খেলার সুযোগ দেওয়া হবে?
দলের বাইরে অভিষেকের ফর্ম নিয়ে যতই সমালোচনা হোক, দলের অন্দরে কিন্তু সকলে তাঁর ওপর আস্থাই রাখছে। মর্নি মর্কেল থেকে সূর্যকুমার যাদব, সকলেই ভারতীয় ওপেনারের পাশেই দাঁড়িয়েছেন। ম্য়াচের আগেরদিনই যেমন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার জানিয়ে দিলেন, ‘অভিষেকের ফর্ম নিয়ে যাঁরা চিন্তিত, আমি তাঁদের নিয়ে চিন্তিত। হ্যাঁ, এখনও পর্যন্ত ও রান পায়নি। তবে ও যখন রান করে, তখন কী হয়, আমরা সবাই দেখেছি। এটা তো দলগত খেলা, এমন সময় সকলেরই আসে, যায়। বর্তমানে দলের প্রয়োজন ও যেন নিজের স্বভাবচিত ভঙ্গিমায় নিজের খেলাটা খেলে। সত্যি বলতে ও সেই চেষ্টাই করছেও। যদি ও সাফল্য পায়, তাহলে তো দারুণ বিষয়, আর না পেলে ওকে কভার দেওয়ার জন্য আমরা তো আছি।’
স্যামসনের অবশ্য সুযোগ যদি পানই তাহলে তাঁকে অভিষেক নয়, বরং তিলক বর্মার জায়গায় সুযোগ দেওয়া হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। তিলক গোটা টুর্নামেন্টে মাত্র ১২০.৪৫ স্ট্রাইক রেটে রান করেছেন। এই স্ট্রাইক রেটের জন্যই তিলকের সমালোচনা হচ্ছে। স্যামসন সেখানে অতীতে আইপিএলে তিন নম্বরে খেলেছেন। তিনি ফাস্ট বোলিং এবং স্পিন, দুইয়ের বিরুদ্ধেই দক্ষ। তাই তাঁকে খেলিয়ে দেখা হতে পারে। ভারতীয় দলে গত ম্য়াচে ওয়াশিংটন সুন্দর সুযোগ পেলেও, সুপার এইটের প্রথম ম্যাচের জন্য অক্ষর ফিরবেন। তিনি দলের সহ-অধিনায়কও বটে। এছাড়া গত ম্যাচের একাদশ থেকে আর বদলের তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে শেষমেশ টিম ম্যানেজমেন্ট কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা জানতে রবিবার ৬.৩০টা অবধি অপেক্ষা করতেই হবে।
