March 31, 2026
561b4e966c8e303999e7f9f4b38e5d601774966694927338_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি: ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে সেভাবে সাড়া দেয়নি কেউ। সেই নিয়ে এবার ব্রিটেন-সহএকাধিক দেশকে কড়া বার্তা দিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানালেন, আমেরিকা আর কাউকে সাহায্য় করবে না। সবাইকে এবার নিজে গিয়ে তেল সংগ্রহ করতে হবে। (Donald Trump)

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে ঘুরপথে আলোচনা চলছে। সেই আবহেই সোশ্য়াল মিডিয়ায় কটাক্ষমিশ্রিত পোস্ট করেছেন ট্রাম্প। তাঁর বক্তব্য, ‘ব্রিটেন-সহ যে যে দেশ হরমুজ প্রণালীর জন্য বিমানের জ্বালানি পাচ্ছে না, ইরানের মাথা গুঁড়িয়ে দিতে রাজি হয়নি যারা, তাদের জন্য বিশেষ পরামর্শ: 1) আমেরিকার থেকে তেল কিনতে পারেন, আমাদের কাছে প্রচুর রয়েছে। ২) দেরিতে হলেও সাহস সঞ্চয় করুন। হরমুজ গিয়ে নিয়ে আসুন’। (US-Iran War)

তবে সেখানেই থামেননি ট্রাম্প। তিনি আরও লেখেন, ‘এবার নিজে নিজে লড়াই করা শিখতে হবে। আমেরিকা আর সাহায্য় করতে যাবে না। আপনারা যেমন আমাদের পাশে ছিলেন না। ইরানকে কার্যতই বিধ্বস্ত করেে দেওয়া গিয়েছে। আসল কাজ হয়ে গিয়েছে। যান এবার তেল নিয়ে আসুন’।

নয় নয় করে একমাস ধরে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। সেই আবহে ‘বন্ধুদেশ’ ছাড়া বাকিদের জন্য় হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখেছে ইরান। এর ফলে জ্বালানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে গোটা পৃথিবীতে। কারণ সেখান দিয়েই পৃথিবীর এক পঞ্চমাংশ তেল সরবরাহ হয়। হরমুজে সেনা মোতায়েন করতে এর আগে সহযোগী দেশগুলিকে আহ্বান জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু কোনও দেশই সেভাবে সাড়া দেয়নি। অন্য কাউকে কিছু না জানিয়ে, যেভাবে ইজ়রায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানে হামলা চালায় আমেরিকা, তা নিয়ে সমালোচনাও শোনা যায়। 

তবে যে সময় হরমুজ নিয়ে সহযোগী দেশগুলিকে কটাক্ষ করলেন ট্রাম্প, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ আমেরিকার সংবাদমাধ্যম থেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, আর হরমুজ নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ ট্রাম্প। ইরানের নৌবাহিনীকে দুর্বল করে দেওয়া, তাদের অস্ত্রভাণ্ডারকে দুর্বল করে দেওয়াই মূল লক্ষ্য ছিল তাঁর। আমেরিকার নিজস্ব তৈলভাণ্ডার রয়েছে। তাই হরমুজ নিয়ে খামোকা যুদ্ধ টেনে নিয়ে যেতে নারাজ তিনি। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিটও তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের সমাপ্তিকেই আপাতত প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। হরমুজ প্রণালী তাঁদের কাছে অগ্রাধিকার পাচ্ছে না। এমনকি আমেরিকার বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও জানান, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বাণিজ্যিক জলপথ দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখতে পারবে না ইরান। আজ না হলেও কাল হরমুজ প্রণালী খুলে দিতেই হবে ইরানকে। 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks