মুম্বই: আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়ার কথা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 202)। ভারত ছাড়া শ্রীলঙ্কাও এই টুর্নামেন্টের অন্যতম আয়োজক দেশ। ৮ মার্চ পর্যন্ত চলবে এই টুর্নামেন্ট। টুর্নামেন্টে ভারতই হট ফেভারিট হিসেবে খেলতে নামবে। শেষবার এই টুর্নামেন্টে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে ভারতই জিতেছিল। ২০২৪ সালে টি-টোেয়ন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ফাইনালে হারিয়ে খেতাব ঘরে তোলে টিম ইন্ডিয়া। ভারতের পাঁচটি আইকনিক ভেন্যুতে ম্যাচ হবে। সেগুলো হল চিদাম্বরম স্টেডিয়াম, অরুণ জেটলি, নরেন্দ্র মোদি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ইডেন গার্ডেন্স ও ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম।
বিশ্বের প্রথম দল হিসেবে তিনবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের নজির গড়ার হাতছানি রয়েছে ভারতের সামনে। ইংল্য়ান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে তৃতীয় দল হিসেবে দুবার এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। এবার ভারত জিতলে বিশ্বের প্রথম দল হিসেবে তিনবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার নজির গড়বে টিম ইন্ডিয়া। ভারত এর আগে ২০০৭ ও ২০২৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া।
ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে নেমে এখনও পর্যন্ত কোনও দল জিততে পারেনি। আয়োজক দেশ হিসেবে রানার্স আপ হয়েছে শ্রীলঙ্কা ২০১২ সালে। কিন্তু খেতাব জিততে পারেনি কোনওবার কোনও আয়োজক দেশ। ২০২৬ সালে শ্রীলঙ্কাও আয়োজক হিসেবে খেলতে নামবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। ভারত আয়োজক দেশ হিসেবে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতলে তারাই বিশ্বের প্রথম দল হিসেবে এই নজির গড়বে। এর আগে ২০১১ সালে ওয়ান ডে বিশ্বকাপে ভারত আয়োজক দেশ হিসেবে টুর্নামেন্ট জিতেছিল।
আরও একটি রেকর্ডের হাতছানি রয়েছে ভারতের সামনে। এশিয়ার প্রথম দল হিসেে পাঁচটি বিশ্বকাপ জেতার নজির গড়তে পারেন টিম ইন্ডিয়া। এখনও পর্যন্ত দুটো ওয়ান ডে বিশ্বকাপ ও দুটো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। এবারেরটা জিতলে সংখ্যাটা পাঁচ হবে। অস্ট্রেলিয়া একনও পর্যন্ত সর্বাধিক সাতটি বিশ্বকাপ জিতেছে। ছয়বার ওয়ান ডে বিশ্বকাপ ও একবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে অজি শিবির।
গত সপ্তাহেই পাকিস্তান সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে তাদের তরফে পিসিবিকে ভারত ম্যাচ বয়কট করার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পিসিবির তরফে নিজেদের এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে আইসিসিকে সরকারিভাবে চিঠি দেওয়ার খবর এখনও সামনে আসেনি। তবে পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তে কিন্তু ক্রিকেটবিশ্বে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। অবশ্য পাকিস্তান কিন্তু নিজেদের এই সিদ্ধান্তের জেরে ক্রমশই একলা হয়ে পড়ছে। কাউকেই তারা পাশে পাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে আদৌ তাঁরা মাঠ কীভাবে নামবে, সেটাই প্রশ্ন।
