March 23, 2026
775ab034debeb25a8510cbaf44ea6a991774290303837394_original.jpg
Spread the love


Israel Laser Warfare: প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী অস্ত্র নিয়ে এল ইজরায়েল। আকাশপথে শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করতে তারা নিয়ে আসছে অত্যাধুনিক লেজার প্রযুক্তি। এলবিট সিস্টেমস (Elbit Systems)-এর তৈরি এই হাই-পাওয়ার লেজার সিস্টেমটি যুদ্ধবিমান এবং হেলিকপ্টারে স্থাপন করা হবে, যা মাঝ আকাশেই ড্রোন ও মিসাইল ধ্বংস করতে সক্ষম।

সপ্রতি ইসরায়েল তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে। আকাশপথে শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করতে তারা নিয়ে আসছে অত্যাধুনিক লেজার প্রযুক্তি। এলবিট সিস্টেমস (Elbit Systems)-এর তৈরি এই হাই-পাওয়ার লেজার সিস্টেমটি যুদ্ধবিমান এবং হেলিকপ্টারে স্থাপন করা হবে, যা মাঝ আকাশেই ড্রোন ও মিসাইল ধ্বংস করতে সক্ষম।

ইসরায়েলের নতুন ‘লেজার অস্ত্র’, মাঝ আকাশেই ধ্বংস হবে শত্রুর ড্রোন-মিসাইল !
জেরুজালেম: আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে এবার বড়সড় বদল আনতে চলেছে ইসরায়েল। দেশটির অন্যতম প্রধান প্রতিরক্ষা সংস্থা ‘এলবিট সিস্টেমস’ (Elbit Systems) তৈরি করছে এমন এক উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন লেজার সিস্টেম, যা যুদ্ধবিমান এবং হেলিকপ্টারে যুক্ত করা যাবে। এই প্রযুক্তির মূল লক্ষ্য হলো অত্যন্ত দ্রুত গতিতে এবং নামমাত্র খরচে শত্রুর ড্রোন ও মিসাইল মাঝ আকাশেই ধ্বংস করা।

আয়রন ডোম-এর তুলনায় সাশ্রয়ী প্রযুক্তি
বর্তমান সময়ে আয়রন ডোম (Iron Dome)-এর মতো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো অত্যন্ত কার্যকর হলেও সেগুলোর প্রতিটি ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের দাম আকাশছোঁয়া। একটি সাধারণ ড্রোন ধ্বংস করতেও ইসরায়েলকে হাজার হাজার ডলার খরচ করতে হয়। সেখানে এই নতুন লেজার প্রযুক্তি প্রতিটি শটের খরচ নাটকীয়ভাবে কমিয়ে দেবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি যুদ্ধের অর্থনৈতিক কৌশলে আমূল পরিবর্তন আনবে।

‘স্টিং’ (Sting): হেলিকপ্টারের বিশেষ রক্ষাকবচ
এই প্রকল্পের অধীনে যুদ্ধবিমানের জন্য একটি ডেডিকেটেড পড সিস্টেম এবং হেলিকপ্টারের জন্য ‘স্টিং’ (Sting) নামক একটি লেজার ভেরিয়েন্ট তৈরি করা হচ্ছে। এই সিস্টেমটি উচ্চ উচ্চতায় (high altitude) কাজ করবে, ফলে বৃষ্টি, ধুলোবালি বা কুয়াশার মতো আবহাওয়াজনিত সমস্যা একে বাধা দিতে পারবে না। এটি প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চেয়ে অনেক দ্রুত লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত ও ধ্বংস করতে সক্ষম।

পথে রয়েছে কঠিন চ্যালেঞ্জ
তবে এই প্রযুক্তি বাস্তবে প্রয়োগ করা মোটেও সহজ নয়। এর প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো হলো:

আকার ও ওজন: লেজার সিস্টেমটিকে যথেষ্ট ছোট এবং হালকা হতে হবে যাতে তা বিমানে সহজেই ফিট করা যায়।

তাপ নিয়ন্ত্রণ: হাই-পাওয়ার লেজার প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে, যা নিয়ন্ত্রণের জন্য উন্নত কুলিং সিস্টেমের প্রয়োজন।

নির্ভুল লক্ষ্যভেদ: অত্যন্ত দ্রুতগামী ছোট লক্ষ্যবস্তুগুলোকে নিখুঁতভাবে ট্র্যাক করার জন্য উচ্চমানের অপটিক্যাল সিস্টেম প্রয়োজন।

ভবিষ্যতের যুদ্ধের নতুন রূপ
এলবিট সিস্টেমস আশাবাদী যে, খুব শীঘ্রই এই প্রযুক্তিগত বাধাগুলো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে এবং এই সিস্টেমটি বিমান বাহিনীর একটি নিয়মিত অংশ হয়ে উঠবে। ভবিষ্যতে বিশ্বজুড়ে এই প্রযুক্তির ব্যাপক চাহিদা তৈরি হতে পারে। শুধুমাত্র আকাশ প্রতিরক্ষা নয়, এই লেজার সিস্টেমের আরও অনেক বহুমুখী ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে কাজ চলছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks