- পাকিস্তান মধ্যস্থতা করছে, আমেরিকা-ইরান শান্তি বৈঠকে বসছে।
- আলোচনার আগেই ইরানকে আলটিমেটাম দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
- ট্রাম্পের মতে, আন্তর্জাতিক জলপথ বন্ধ করা ছাড়া ইরানের উপায় নেই।
- যুদ্ধবিরতির আগে ইরানকে প্রস্তর যুগে পাঠানোর হুমকিও দিয়েছিলেন ট্রাম্প।
Iran US Ceasefire : পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি রক্ষায় কালই বৈঠকে বসার কথা আমেরিকা ও ইরানের (US Iran Peace Talks)। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হবে এই যুদ্ধ বিরতির পরবর্তী পর্যায়ের আলোচনা। যদিও বৈঠকের আগেই ফের ইরানকে হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট (Donald Trump )। ট্রুথ সোশ্য়ালে এল সেই বিস্ফোরক উক্তি।
ট্রুথ সোশ্য়ালে কী বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট
এদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এর পোস্ট নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন করে জল্পনা। তবে কি বৈঠকের আগেই প্রতিপক্ষ ইরানকে চাপে রাখতে চাইছেন ট্রাম্প ? নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে ট্রাম্প বলেছেন, “মনে হচ্ছে, ইরানিরা এটা বুঝতে পারছে না যে- আন্তর্জাতিক জলপথ আটকে বিশ্বের ওপর কিছুদিনের তোলাবাজি চালানো ছাড়া ওদের হাতে আর কোনও রাস্তা নেই। আজ ওরা কেবল বেঁচে আছে, তার একমাত্র কারণ হল-আলোচনা !”
অতীতে ইরানকে কী বলেছিলেন ট্রাম্প
সম্প্রতি ১৪ দিনের যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা করেছে আমেরিকা। তার আগে ইরানের সভ্য়তা ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেছিলেন, প্রস্তর যুগে পাঠিয়ে দেবেন ইরানকে। যদিও তৃতীয় পক্ষ পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এবার শান্তি আলোচনা শুরু হতে চলেছে দুই দেশের মধ্যে। ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। যদিও ভান্স প্লেনে ওঠার পরপরই ফের ইরানকে হুমকি দেওয়া শুরু করেছেন ট্রাম্প।
আগামীকাল শান্তি বৈঠকের আগেই ট্রাম্পের হুমকি
কাল শান্তি বৈঠকের আগেই ফের ইরানে হামলার হুঙ্কার দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, সেরা অস্ত্রে ঠাসা যুদ্ধজাহাজ তৈরি রয়েছে আমেরিকার। তাদের সেনা ট্রিগারে হাত দিয়েই বসে আছে। ‘আমরা আমাদের যুদ্ধজাহাজে সেরা অস্ত্র তৈরি করে রাখছি। এমন ধরনের অস্ত্র, যা আগে কখনও তৈরি হয়নি। চুক্তি চূড়ান্ত না হলে আমরা সেই সব অস্ত্র ব্যবহার করব।
সম্প্রতি কী ঘটেছে ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের আবহে
আলোচনার আগেই শর্ত নির্ধারণ করে দিয়েছেন ইরান। লেবাননে যুদ্ধবিরতি ও তাদের সব সম্পদ মুক্তির দাবি জানিয়েছে তেহরান। আগামী সপ্তাহেই লেবানন, ইজরায়েল আলোচনা ! বলছে সংবাদ সংস্থা এপি। যদিও ইজরায়েলের সঙ্গে সরাসরি শান্তি আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে হিজবুল্লাহ। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, যত শীঘ্র সম্ভব এই আলোচননা শুরু করা উচিত। এই বিষয়ে নতুন করে কিছু বলেনি আমেরিকা। এখন শনিবারের আলোচনার ওপর অনেককিছু নির্ভর করছে।
