April 2, 2026
6ec7270d0db991c0ce010eac35b5e2dc1712855619022947_original.jpg
Spread the love


Child Health Tips in Summer: সবে এপ্রিল মাস। এখন থেকেই তীব্র গরমের জেরে নাভিশ্বাস উঠতে শুরু করেছে মানুষের। গরমের সঙ্গে যুঝে চলতে হবে এখনও প্রায় ৩ মাস। এই অসহনীয় গরমকে টেক্কা দিতে অনেকেই বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে থাকেন। এই সময়ে বাচ্চাদের কীভাবে খেয়াল রাখবেন তা নিয়ে চিন্তিত অনেক মা-বাবা। তার ওপর যদি হিটওয়েভ (Heat Wave) হানা দেয়, তখন কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়াও স্বাভাবিক। হিটওয়েভের সঙ্গে মোকাবিলায় সকাল থেকে রাত অবধি সন্তানের খেয়াল রাখার জন্য মেনে চলা যেতে পারে কয়েকটি বিষয়। 

  • গরমকাল হোক কিংবা শীতকাল, বাচ্চারা চুপচাপ বসে থাকবে এটা যেন সোনার পাথরবাটি। হিটওয়েভে বাচ্চাদের সব কাজকর্ম বন্ধ করে দেওয়াও তো সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে সন্তান কখন কী করছে, সেদিকে নজর রাখা দরকার। বেশি রোদে না যাওয়া, বেশি দৌড়ঝাঁপ না করতে দেওয়ার মতো সাধারণ বিষয়গুলি খেয়াল রাখা প্রয়োজন।
  • সন্তান যাতে প্রচুর পরিমাণে জল পান করে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সারাদিন ধরে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল পান করা এই সময়ে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। হাইড্রেটেড (Hydrated) না থাকলে শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও প্রস্রাবের রঙের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। সন্তান যদি ঘনঘন ক্লান্ত হয়ে পড়ে তা ডিহাইড্রেশনের (Dehydration) লক্ষণ হতে পারে।  
  • এই সময়ে বাচ্চাকে যতটা সম্ভব সুতির জামাকাপড় পরানো উচিত। হিটওয়েভ মোকাবিলায় ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক পোশাক পরা জরুরি। এছাড়াও সূর্যের তীব্র তাপ থেকে রক্ষা করতে ও সানবার্ন কম করতে ছোটদের ত্বক অনুযায়ী সানস্ক্রিন ব্যবহার করা যেতে পারে।    
  • বিশেষজ্ঞদের মতে, সূর্য যখন মধ্যগগনে তখন বাচ্চাদের বাইরে রোদের মধ্যে না রাখাই ভালো। দুপুরবেলা, মূলত বেলা ১২ টা থেকে বিকেল ৪টে অবধি বাচ্চাকে রাস্তায় বেরোতে দেওয়া থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। একইসঙ্গে, গরমকালে বাচ্চাদের আউটডোর গেমে উৎসাহিত না করে ইনডোর গেমে ব্যস্ত রাখা অনেক বেশি নিরাপদ। 
  • এই সময় ঘরের ভিতরের তাপমাত্রা যতটা সম্ভব ঠান্ডা রাখা উচিত। হিটওয়েভে সরাসরি সূর্যের আলো যাতে ঘরে না ঢোকে তার জন্য পর্দা ব্যবহার করা যেতে পারে। যতক্ষণ সম্ভব বাচ্চাদের ঘরের ঠান্ডা পরিবেশে রাখুন। 
  • শিশুদের শরীর ঠান্ডা রাখে এমন খাবার খাওয়ানো যেতে পারে। এছাড়াও রাতে ঘুমানোর আগে হালকা ঠান্ডা জলে স্নান করিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এতে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং ভালো ঘুম হয়।  
  • এছাড়াও সন্তানের ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা, মাথা ব্যথা করা, পেশিতে টান, ক্লান্তির মতো লক্ষণ যদি চোখে পড়ে তবে দেরি না করে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া ভীষণভাবে জরুরি।  

ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 

Check out below Health Tools-
Calculate Your Body Mass Index ( BMI )

Calculate The Age Through Age Calculator



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks