March 20, 2026
31c499c2145f24ff87b6a5ee0aba25161773990879412170_original.jpg
Spread the love


ওয়াশিংটন ডিসি : ইরানের ওপর নাগাড়ে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা-ইজরায়েল বাহিনী। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। উভয়পক্ষই আক্রমণের নিরিখে নিজেরা এগিয়ে বলে দাবি করছে। এদিকে, পশ্চিম এশিয়ায় এই যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। কাজেই, যুদ্ধের সমাপ্তি চাইছেন সকলেই। এনিয়ে,মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকমের দাবি করলেও, কবে যুদ্ধ শেষ হবে তার কোনও ঠিকঠিকানা নেই। এই পরিস্থিতিতে চাঞ্চল্যকর একটি তথ্য সামনে এল। আর তা হল, ইরানের গ্যাস ফিল্ডে ইজরায়েলের হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে সম্ভবত মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর। অন্তত ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথা থেকে তেমনই ইঙ্গিত মিলছে।

কিন্তু কী বললেন ট্রাম্প ? 

সাউথ পার্স গ্যাস ফিল্ডে ইজরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে জ্বালানি পরিকাঠামোর ওপর ইরান প্রতিশোধমূলক হামলা চালাচ্ছে। যা আগে থেকেই বিশ্বব্যাপী চড়া জ্বালানির দামকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইজরায়েল-আমেরিকা পক্ষের উপসাগরীয় মিত্ররা নেতানিয়াহুকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে ট্রাম্পের কাছে আর্জি জানিয়েছেন। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ইরানের ওপর হামলা শুরুর সময় যেভাবে পারস্পরিক সহযোগিতার পথে হেঁটেছিলেন ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু, সেই সম্পর্ক আদৌ আর বজায় আছে কি না। এনিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সেনাই তাকাইচির সঙ্গে ওভাল অফিসে কথা বলার সময় ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সম্পদের ওপর ইজরায়েলের হামলা তিনি সমর্থন করেননি। ট্রাম্প বলেন, “আমি ওঁকে (বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু) বলেছিলাম, এটা করবেন না। আমরা একসঙ্গে ভাল চালাচ্ছিলাম। পারস্পরিক সহযোগিতা করছিলাম। কিন্তু মাঝেমধ্যে উনি এমন কিছু একটা করেন। আর যদি আমার সেটা পছন্দ না হয় — তাই আমরা এখন আর সেটা করি না।” 

ইরানের সাউথ পার্স গ্যাস ফিল্ড বিশ্বের অন্যতম বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র। আর এর একটা অংশেই হামলা করেছিল ইজরায়েল। এই প্রসঙ্গে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তাঁর সরাসরি কথা হয়েছে। “আমি তাঁকে জানিয়েছি এমন না করতে। তিনি এই বিষয়ে আমার সঙ্গে একমত হয়েছেন”, বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে একটা সমন্বয় থাকলেও দুই দেশই স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে যে তারা কে কী করবে। তবে, কখনও কখনও ইজরায়েলের কোনও পদক্ষেপ তাঁর পছন্দ না হলে তিনি তা থামানোর চেষ্টা করেন বলেও জানান তিনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks