নয়াদিল্লি: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্য়াচের ওয়ান ডে সিরিজের প্রথম ম্য়াচে ওয়াশিংটন সুন্দর চোট পেয়ে ছিটকে যাওযার পর দলে ঢুকে পড়েছিলেন আয়ুশ বাদোনি। তাঁকে নির্বাচকরা ভারতীয় স্কোয়াডে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় ম্য়াচ তাঁকে সুযোগ দেওয়া হয়নি। সুযোগ পেয়েছিলেন নীতীশ রেড্ডি। কিন্তু অলরাউন্ডার হিসেবে কোনও কাজেই লাগেনি। ব্যাট ও বল হাতে কোনও পারফর্মই করতে পারেননি তিনি।
ইরফান পাঠানের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উথাপ্পা বলেন, ”আয়ুশ বাদোনিকে জাতীয় দলের অন্তর্ভুক্ত করার কারণ আমার কাছে একেবারেই পরিষ্কার নয়। আমি সত্যিই এর কোনও মানে খুঁজে পাইনি। আমি সাম্প্রতিক সময়ে ওর ব্য়াটিং রেকর্ড দেখেছি। নিঃসন্দেহে আয়ুশ অসাধারণ প্রতিভা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আমার মনে হয় না ভারতীয় দলের খেলার মত পরিণত হয়েছে আয়ুশ।”
ইরফান পাঠান নিজেও মনে করেন যে বাদোনি ইন্ডিয়া এ ও দিল্লির জার্সিতে বেশ কয়েকটি ভাল ইনিংস খেলেছেন। তবে এখনও পর্যন্ত বিশাল কিছু প্রভাব ফেলতে পারেননি ঘরোয়া ক্রিকেটে। পাঠান মনে করছেন যে নির্বাচকরা হয়ত ভেবেছেন যে বাদোনি শেষের দিকে কিছু ওভারও করতে পারবেন। কিন্তু দ্বিতীয় ম্য়াচে শেষ পর্যন্ত নীতীশকেই খেলানো হয়েছিল।
ওয়াটার পিউরিফায়ার নিয়ে ইনদওরে পৌঁছলেন গিল
শরীর ঠিক রাখলে, অভিনব উদ্যোগ নিলেন শুভমন গিল। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম NDTV-র রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে ভারতীয় দল বিশেষ করে শুভমন গিল এই ম্যাচ খেলার আগে নিজেদের সঙ্গে জল বিশুদ্ধকরণের জন্য একটি মেশিন নিজেদের সঙ্গে নিয়েছেন। ক্রিকেটারদের হোটেলের ঘরে এই মেশিন রয়েছে। দিনকয়েক আগেই ওই শহরের ভগীরথপুরে জল সমস্যার মারাত্মক প্রভাব দেখা যায়। দূষিত জল পান করে প্রচুর মানুষ নিজেদের জীবন হারান। তারপরেই ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা সম্ভবত এই ওয়াটার পিউরিফায়ার নিজেদের সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন। তবে সেই পিউয়িফায়ারের দাম শুনলে চোখ কপালে উঠতে বাধ্য। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী ভারত অধিনায়ক শুভমন গিলের ঘরে লাগানো এই পিউরিফায়ার মেশিনের দাম প্রায় তিন লক্ষ টাকার আশেপাশে। তবে এই পিউরিফায়ার লাগানোর সিদ্ধান্তটি শহরের দূষিত জল ঘিরে ঘটে যাওয়া কাণ্ডের জেরে না গিলের ব্যক্তিগত ইচ্ছায়, তা টিম ম্যানেজারের তরফে জানানো হয়নি বলেই রিপোর্টে দাবি করা হয়।
গিল আগের দুটো ম্য়াচে অর্ধশতরান হাঁকিয়েছেন। তৃতীয় ওয়ান ডে ম্যাচে সেঞ্চুরি আসে কি না, তাঁর ব্যাটে তা দেখার।
