April 10, 2026
d0930dcc92b29fa58f19f59cc4bca03b1770113135354394_original.jpeg
Spread the love


Education News: এবার গ্রামীণ শিশুরা পাবে বিনামূল্যে শিক্ষা। ছত্তিশগড়ের জেলার আদিবাসী এলাকা ভেজা জঙ্গলিতে হবে তথাগত গ্লোবাল গুরুকুলম। এরই মধ্যে ভূমি পুজোর মাধ্যমে হয়ে গেল এই উচ্চমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা। 

তথাগত ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগ 
ইন্ডিয়ান এডুকেশন বোর্ডের চেয়ারম্যান তথা অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার এন. পি. সিং ও তফসিলি উপজাতি কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান জি. আর. রানার উপস্থিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে। বালোদ জেলার গুরুর উন্নয়ন ব্লকের অন্তর্গত প্রত্যন্ত আদিবাসী গ্রাম ভেজা জঙ্গলিতে তথাগত গ্লোবাল গুরুকুলমের ভূমি পূজা সম্পন্ন হয়। আদিবাসী উন্নয়নের লক্ষ্যে জাকওয়ার ফাউন্ডেশন ও তথাগত ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে শত শত আদিবাসী গ্রামবাসী অংশগ্রহণ করেন।

ভূমি পূজা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান
ভূমি পূজার আগে রাজা রাও বাবা এবং কাঙ্কালিন মাতার কাছে প্রার্থনা করা হয়। এরপর শহিদ বীর নারায়ণ সিংয়ের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়। সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে এন. পি. সিং বলেন , এই গুরুকুলম প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হল- সমাজের শেষ সারিতে থাকা আদিবাসী ও গ্রামীণ শিশুদের মানসম্মত শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করে তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা। তিনি বলেন, প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকার শিশুরা শহরের মতো শিক্ষা না পেলে একটি উন্নত ভারতের স্বপ্ন অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের বৈশিষ্ট্য
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ভেজা জঙ্গলিতে স্থাপিত হতে যাওয়া এই স্কুলটি শিক্ষার দিক থেকে দিল্লি ও অন্যান্য বড় শহরের নামকরা স্কুলগুলোর সমতুল্য হবে। এখানে শিশুদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাই নয়, জীবনের মূল্যবোধ ও ঐতিহ্য সম্পর্কেও শিক্ষা দেওয়া হবে।

কী কী সুযোগ পাবে পড়ুয়ারা
গুরুকুলমে বিনামূল্যে শিক্ষার পাশাপাশি ব্যক্তিত্ব বিকাশ, কর্মজীবনের দিকনির্দেশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সেনাবাহিনীতে নিয়োগের জন্য প্রস্তুতি, কর্মসংস্থানমুখী কোর্স ও মহিলাদের কুটির শিল্পের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে যাতে তারা স্বনির্ভর হতে পারে। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের এগিয়ে যাওয়ার জন্য পূর্ণ সুযোগ দেওয়া হবে।

এন. পি. সিং তার ভাষণে বলেন, এই স্কুলের নির্মাণ কাজ ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শুরু হবে। তিনি বলেন, রাজা রাও মালভূমিতে যখন রাজা রাওয়ের পূজা অনুষ্ঠিত হবে, ঠিক তখনই এই গুরুকুলমের উদ্বোধন করা হবে। তিনি এই আস্থা প্রকাশ করেন, রাজা রাওয়ের আশীর্বাদে এখানে অধ্যয়নরত শিশুরা আইএএস, আইপিএস, বিচারকের মতো উচ্চ পদে অধিষ্ঠিত হবে এবং তখনই এই উদ্যোগটি সফল বলে বিবেচিত হবে।

গ্রামীণ শিশুদের জন্য সুযোগ
এই গুরুকুলটি ভেজা জঙ্গলিসহ ১০ থেকে ১২টি গ্রামের উপজাতি ও গ্রামীণ ছেলেমেয়েদের সরাসরি উপকৃত করবে। ভূমি পূজনের এই ঐতিহাসিক উদ্যোগটি সমগ্র বনাঞ্চলে আনন্দের ঢেউ এনেছে। অনুষ্ঠানে গ্রাম পঞ্চায়েতের সরপঞ্চ শীলা যাদব, পঞ্চ নাগেশ্বর সালাম, দীনেশ যাদব, বলরাম গোটি ও আরও অনেক জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks