March 13, 2026
5e8ac07bfd87109c77627f6cdbe19a4d1773389097930170_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি : কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলছে না। একে অপরকে শুধু হুমকিই নয়, হামলা-পাল্টা হামলাও চালাচ্ছে সমানে। এখনই এখনই মেটার কোনও লক্ষণ নেই পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ। এই পরিস্থিতির চাপও বাড়ছে উত্তরোত্তর হারে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত চরম সংকট দেখা যাচ্ছে। জ্বালানি সংকট দিন দিন তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। ফলে, আর্থিক চাপও বাড়ছে বিভিন্ন দেশে। কারণ, তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকলে, স্বাভাবিকভাবেই তার প্রভাব পড়বে জিনিসপত্রে। ফলে, এই যুদ্ধের জেরে পরোক্ষে ভুক্তভোগী অনেক দেশ। যদিও সাম্প্রতিক প্রকাশিত একটি রিপোর্ট বলছে, পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা এই যুদ্ধের জেরে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে দু’টি দেশ। সেই দু’টি দেশ হল- রাশিয়া ও চিন। এমনই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে Jefferies। তারা তুলে ধরেছে, কীভাবে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বিশ্বের জ্বালানি পরিস্থিতি ও আর্থিক পরিকাঠামোকে আকার দিচ্ছে। কিন্তু, কেন এই দাবি করা হয়েছে এই রিপোর্টে ? কীসের ভিত্তিতে একথা বলছে তারা ?

রিপোর্টে উল্লেখ করা হচ্ছে, বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বাড়তে থাকায়, বিশ্বের জ্বালানি মার্কেটে রাশিয়ার অবস্থান মজবুত হচ্ছে। তেলের দাম দ্রুত বাড়ায়, রাশিয়া তা থেকে লাভবান হচ্ছে আর্থিকভাবে। একইভাবে, লাভবান হচ্ছে চিনও। চিনের অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল হচ্ছে। যা তাদের আর্থিক পরিকাঠামোকে মজবুত করবে।

Jefferies আরও দাবি করেছে, এই পরিস্থিতি রাশিয়ার তেল কেনা নিয়ে ভারতের উদ্বেগও কমিয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে এবং হঠাৎ করে আবার রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের জন্য আর কোনও সমস্যা না হওয়ায়, প্রধান সুবিধাভোগীর দিক থেকে রাশিয়া অন্যতম হয়ে উঠছে। আরেকটি সুবিধাভোগী স্পষ্টতই চিন।

আমেরিকা-ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের অবিরাম যুদ্ধ চলছে। কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলছে না। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ যেতে না দিয়ে ইজরায়েল-আমেরিকার পাশাপাশি কার্যত গোটা বিশ্বের মাথাব্য়াথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরান । কারণ এই রুট দিয়েই তেলবহনকারী জাহাজগুলি যাতায়াত করে । একমাত্র রাশিয়া ও চিনকে ‘হরমুজ প্রণালী’ দিয়ে জাহাজ চলাচল করার অনুমতি দিয়েছে ইরান। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সংবাদসংস্থা রয়টার্স প্রথমে ভারতীয় সূত্রকে উদ্ধৃত করে দাবি করে, ভারত এবং ইরান, দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীদের মধ্য়ে কথা হওয়ার পর, ভারতের জাহাজগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসার অনুমতি দিয়েছে ইরান। কিন্তু পরে সংবাদসংস্থা রয়টার্স-ই ইরানের একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানায় যে, ভারতের সঙ্গে ইরানের এরকম কোনও চুক্তি হয়নি। ভারতকে কি আদৌ এরকম কোনও ছাড় ইরান দিয়েছে? এই প্রশ্নের কোনও উত্তর দেয়নি খোদ ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকই।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks