February 23, 2026
7abce479ef9a1229b8cb65d5bf02ac3c176576440802853_original.jpg
Spread the love


পাঁঠার মাংস খেলে এই হয় – সেই হয়। এই সাবধানবাণী সর্বদাই শোনা যায়। রেড মিট নিয়ে নানারকম সতর্কবার্তা দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। হার্টের অসুখ, স্ট্রোক, কোলেস্টেরল, ওজন বৃদ্ধি , সবকিছু প্রতিরোধেই রেড মিট খাওয়ার ক্ষেত্রে নানারকম বিধিনিষেধ আরোপ করেন চিকিৎসকরা। কিন্তু একটা ভাল খবর দিয়েছে চিকিৎসকদের একাংশ। তাদের মতে, রেড মিট বা বাঙালির পাতের পাঁঠার মাংসের সঙ্গে এই ভয়ঙ্কর অসুখের কোনও সংযোগ নেই।  প্রচলিত ধারণা, রেড মিট খেলে  কোলন ক্যান্সার হয়। কিন্তু এই ভাবনাটাই নাকি ভুল , বলছে নানা রকম তথ্য ও বিশ্লেষণ। 
 
ইন্ডিয়া টু ডে -র একটি আর্টিকলে প্রকাশ, আসলে পশ্চিমি দুনিয়ায় যা সত্য , তা ভারতীয়দের ক্ষেত্রে না-ও সত্য হতে পারে। ভারতীয়দের ক্যান্সারের ধরন, খাওয়ার অভ্যেস, জিনগত ধরন থেক একথা সরাসরি বলাই যায় না যে রেড মিট আর কেলন ক্যান্সার সরাসরি সংযুক্ত।

কিছুদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ডাক্তারের করা একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। তিনি সেখানে স্পষ্ট দাবি করেন, বেশি রেড মিট খাওয়া সরাসরি কোলন ক্যান্সারের কারণ হতে পারে, এতি কোনও সংশয় নেই। যদিও এই ইনস্টাগ্রাম ভিডিওটির পাল্টা মতও ভাইরাল হয়েছে।  চিকিৎসকদের একাংশ বলছেন, এভাবে সরাসরি বলা যায় না, রেড মিট খেলেই কোলন ক্যান্সার হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা , হু আসলে বলতে চেয়েছে, পশ্চিমি দুনিয়ায় যেভাবে প্রসেসড ফুড খাওয়া চলে, তাতে তা বড় ক্ষতি করতে পারে। সেখানে ভারতীয়রা মাঝেসাজে এমন রেড মিট খায়, তাও বেশিরভাগ সময়ই বাজার থেকে টাটকা মাংস কিনে রান্না করার চলই ভারতে বেশি। তাই সব ক্ষেত্রে একই ফল হবে না। আর জিনের কথা বলতে গেলে, ভারতীয়দের জীবনযাত্রা, লাইফস্টাইল, ফাইবার খাওয়া, অ্যালকোহল খাওয়া দাওয়া, ধূমপান, অনেককিছুই জড়িয়ে এর সঙ্গে।  ভারতীয়দের জীবনযাত্রা সংক্রান্ত তথ্য বলছে, মাঝেমধ্যে বাজার থেকে টাটকা পাঁঠার মাংস কিনে রান্না করে খাওয়ার সঙ্গে সরাসরি ক্যান্সার যোগ নেই। চিকিৎসকদের অনেকের মতে,  ভারতীয়রা তো আর পশ্চিমী লোকেদের মতো খায় না। আমেরিকায় একেক জন যে পরিমাণ রেড-মিট খেয়ে থাকেন, ভারতীয়রা তার থেকে অনেক-অনেক কম খায়। আমেরিকানরা বছরে গড়ে ৩৫-৪০ কেজি রেড-মিট খায়, সেখানে ভারতীয়রা মেরেকেটে ৪-৫ কেজি খায়।  তাই এই আতঙ্কের মানেই হয় না! 

তবে মাথায় রাখতে হবে, প্রত্যেকের শরীর আলাদা, ওজন আলাদা, কোমর্বিডিটি ফ্যাক্টরগুলি আলাদা আলাদা, সেই সঙ্গে জিনও আলাদা। তাই খাবার সংক্রান্ত কোনও সিদ্ধান্তে আসার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। বংশে কোলন ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে বাড়তি সতর্কতা নিন। 

ডিসক্লেমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ।এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Check out below Health Tools-
Calculate Your Body Mass Index ( BMI )

Calculate The Age Through Age Calculator



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks