করাচি: ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় ক্রিকেট লিগ ‘দ্য হান্ড্রেড’-এর নিলামের অনুষ্ঠান পর্ব চলছিল। সেই নিলাম পর্বেই সানরাইজার্স লিডস দলের নিলাম টেবিলে ছিলেন কাব্য মারান। যিনি সানরাইজার্স গ্রুপের মালকিন। তাঁকে নিয়েই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আসলে পাকিস্তানের স্পিনার আব্রার আহমেদকে দলে নিয়েছে কাব্য। এরপরই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সোশ্য়াল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছে। আইপিএলের সঙ্গে যুক্ত যে ফ্র্যাঞ্চাইজির, তারা কীভাবে একজন পাকিস্তানের ক্রিকেটারকে দলে নিয়েছেন। তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ফ্র্যাঞ্চাইজি রয়েছে কাব্য মারানের।
আব্রার আহমেদ একে তো পাকিস্তানের ক্রিকেটার। এর আগে কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমানকে নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক পোস্ট করেছিলেন। ‘অপারেশন সিঁদুর’ এর মত শব্দ ব্যবহার করে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে অপমান করেছেন বলে অভিযোগ। এরপরও সেই পাকিস্তানের ক্রিকেটারকে কীভাবে দলে নিলেন কাব্য মারান, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই তো সানরাইজার্স হায়দরাবাদকেও আইপিএলে বয়কটের ডাক দিয়েছেন।
Picked someone who has repeatedly mocked India…? https://t.co/XDAaXpKZXT
— Jahnavi Kapoor (@JahnviKapoor_FC) March 12, 2026
Never forget, never forgive. My hate for Abrar Ahmed will be there forever. No one has hated India more than this mf!! pic.twitter.com/5RDVE2p3e5
— Rajiv (@Rajiv1841) March 12, 2026
চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসেন বুমরা
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন জসপ্রীত বুমরা। এক সাক্ষাৎকারে বুমরা বলছেন, ”আমি সবসময় চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসি। কঠিন সময়ে বোলিং করতে চাই। দলের পাশে দাঁড়াতে চাই। তার জন্য়ই আমি ক্রিকেট খেলি। যখন নিজের পারফরম্য়ান্স নিয়ে আমি তফাৎ গড়ে দিতে পারি, তা আমাকে অনেক বেশি আনন্দ দেয়। আমি আমার ক্রিকেট শুরু করেছিলাম গুজরাতে। আমদাবাদে প্রচুর ক্রিকেট খেলেছি। নিজের চেনা মাঠে বিশ্বজয়ের অনুভূতি একেবারেই আলাদা।”
এর আগে আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলেছিল ভারত। সেবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল ভারত। ম্যাচে হেরে গিয়েছিল ফাইনালে।
২০২৩ সালে ওয়ান ডে বিশ্বকাপে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তে হেরে যেতে হয়েছিল। খেতাব হাতছাড়া হয়েছিল। কিন্তু সেই মাঠেই এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে সূর্যকুমারের দল। বুমরা বলছেন, ”সেবার আমরা অল্পের জন্য পারিনি। কিন্তু এবার পেরেছি। আমার ছেলেও এবার মাঠে ছিল। আমার মা ছিল। সবার সামনে বিশ্বচ্য়াম্পিয়ন হওয়ার অভিজ্ঞতা একেবারে আলাদা।”
