পাকিস্তানের (Pakistan) রাজধানী ইসলামাবাদে ড্রোন হামলা। জানা গিয়েছে, ইসলামাবাদের ফয়জাবাদ ও আই ৮ নামের দুটো জায়গায় ২টো ড্রোন মাটিতে এসে পড়ে। এই ঘটনার পরই ইসলামাবাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ও পাকিস্তান বায়ু সেনার (Pakistan Air Force) বিমান সেখানে চক্কর কাটছে। আকাশসীমা বন্ধ থাকায় ইসলামাবাদগামী বিমানগুলোকে অন্য জায়গায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়াও কাছাকাছি সামশাবাদ এলাকাতেও একটি বিস্ফোরণ ঘটেছে। এমনকি আই ৯ সেক্টরের কাছেও একটি বিস্ফোরণের খবর মিলেছে। এ ছাড়াও মারগাল্লা এলাকাতে আরও একটি ড্রোন আঘাত হেনেছে।
উল্লেখ্য, পাকিস্তান (Pakistan) গত রাতেই আফগানিস্তানে (Afghanistan) একটি বিমান হামলা চালিয়েছে বলেই খবর। জানা গিয়েছে, আফগানিস্তানের (Afghanistan) রাজধানী কাবুল (Kabul) সহ একাধিক শহরে আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান (Pakistan)। যদিও পাকিস্তানের (Pakistan) দাবি তার আফগানিস্তানের (Afghanistan) একাধিক জঙ্গি ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
পাকিস্তানের (Pakistan) এই হামলার লক্ষ ছিল আফগানিস্তানের (Afghanistan) রাজধানী কাবুল (Kabul) ও দক্ষিণ আফগানিস্তানের শহর কান্দাহার (Kandahar)। পাকিস্তানের (Pakistan) দাবি, এর ফলে মোট ৬ জন তালিবান (Taliban) নেতা মারা গিয়েছে। আর তারপরই পাকিস্তানের (Pakistan) সামরিক ক্ষেত্রগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় তালিবানরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে অফিগানিস্তান (Afghanistan) লিখেছে, তারা পাকিস্তানের (Pakistan) ডুরান্ড লাইন পেরিয়ে অনুপ্রবেশকে একেবারেই ভালোভাবে নিচ্ছে না।
আর তারপরই পাকিস্তানের (Pakistan) বেশ কয়েকটি শহরে ড্রোন হামলা করেছে তালিবান (Taliban)। এর মধ্যে যেমন রয়েছে ইসলামাবাদ, তেমনই রয়েছে খাইবার পাখতুনখোয়ার কোহট আর্মি ক্যাম্প। পাকিস্তানের সেনা (Pakistan Army) অবশ্য বলছে তাদের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম নাকি ড্রোনগুলো কোনও ক্ষতি করার আগেই তাদের নামিয়ে ফেলেছে। তবে এটাও পাকিস্তান জানিয়েছে যে এই ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের কারণেই কয়েকজন পাকিস্তানি নাগরিক নাকি আহতও হয়েছেন।
তালিবান নেতার বলছেন এই ড্রোন হামলা আসলে পাকিস্তানের এয়ার স্ট্রাইকের প্রতিশোধ। আফগানিস্তানের তালিবান নেতার বলেছেন, পাকিস্তান কাবুল ও কান্দাহার ছাড়াও পূর্ব দিকের পাকতিয়া সহ আরও কয়েকটি শহরে হামলা চালিয়েছে। তার আরও জানিয়েছেন, পাকিস্তান নাকি নির্লজ্জের মতো সাধারণ মানুষের বাড়িতেও হামলা করেছে। যে কারণে আফগানিস্তানে নারী ও শিশু সহ সাধারণ মানুষও মারা গিয়েছেন। যদিও সঠিক কতজন মারা গিয়েছেন, সেই বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু এখনও জানা যায়নি।
