করাচি: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বল এখনও গড়ায়নি মাঠে। এরমধ্য়েই পাকিস্তান ক্রিকেট দল যে ভারতের বিরুদ্ধে ম্য়াচ বয়কট করেছে, তা চারিদিকে শোরগোল তৈরি করে ফেলেছে। এই নিয়ে আইসিসিও ক্ষুব্ধ। পাক দলকে কড়া শাস্তি দেওয়া হতে পারে, এমনটাও শোনা যাচ্ছে। এরমধ্যেই এবার বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল নিজের করা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মধ্যে দিয়ে ধন্যবাদ জানালেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে।
নিজের সোশ্য়াল মিডিয়ায় আসিফ নজরুল লিখেছেন, ”ধন্যবাদ পাকিস্তান দল ও পাকিস্তান সরকারকে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ বলেছেন, বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে তাঁর দেশ ভারত-ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বুধবার মন্ত্রিসভার সদস্যদের তিনি বলেন, আমরা ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলব না। কারণ খেলার মাঠে কোনও রাজনীতি থাকা উচিত নয়। তাঁরা ভেবেচিন্তে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁরা। আমি মনে করি এটা খুবই উপযুক্ত সিদ্ধান্ত।”
শত উস্কানিতেও টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় সরাতে পারেনি পাকিস্তান। আইসিসি বোর্ড মিটিংয়ে ভোটাভুটিতে জঘন্য হার হজম করতে হয়েছিল। অনেকে ভেবেছিলেন, বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে না সরে দাঁড়ায় পাকিস্তান! তা করেনি পিসিবি। বরং সাত পাঁচ না ভেবে ভারতের বিরুদ্ধে টি-২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কট করার পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও এখনও আইসিসি-কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি পাকিস্তান। তবে সত্যিই ভারত ম্যাচ বয়কট করলে?
গ্রুপ থেকেই বিদায় নিতে হতে পারে বাবর আজমদের। তাঁদের কাছে অভিশপ্ত হয়ে উঠতে পারে কলম্বো। কারণ, কলম্বোর আবহাওয়ার পূর্বাভাস। বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আর প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় পাকিস্তানের ম্যাচ ভেস্তে গেলে বদলে যেতে পারে অনেক সমীকরণ। টি-টোয়েন্টি পাকিস্তানের সব ম্যাচই হওয়ার কথা শ্রীলঙ্কায়। গ্রুপ পর্বের চারটি ম্যাচের মধ্য়ে একটি বয়কট করার পথে হাঁটতে পারে পাকিস্তান। বাকি তিন ম্যাচের মধ্যে দুটি ম্যাচে রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। কোনও একটি ম্যাচও ভেস্তে গেলে তাদের সুপার এইটে ওঠার স্বপ্ন জোর ধাক্কা খাবে।
কলম্বোর আবহাওয়া বরাবরই খামখেয়ালি। বিশ্বকাপে পাকিস্তানের প্রথম ম্যাচ সেখানেই। ৭ ফেব্রুয়ারি, টুর্নামেন্টের প্রথম দিনই কলম্বোর সিংহলিজ় স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস। সেই ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা ৬৪ শতাংশ। বিশেষ করে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে বৃষ্টি হতে পারে। ম্যাচ কোনওভাবে পণ্ড হলে পয়েন্ট ভাগাভাগি হয়ে যাবে। ধাক্কা খাবে পাকিস্তানের নেট রান রেটও। যা তাদের সুপার এইটে ওঠার সম্ভাবনা শেষ করে দিতে পারে।
