February 25, 2026
127bf0331d66775135522a174501aec11772013714919394_original.jpeg
Spread the love


Show Quick Read

Key points generated by AI, verified by newsroom

Passport Application Tips :  বর্তমানে বিদেশ ভ্রমণের জন্য পাসপোর্ট একটি অপরিহার্য নথি। তবে ফিজিক্যাল পাসপোর্টের (Passport) দিন শেষ হতে চলেছে। ভারত সরকারের ‘পাসপোর্ট সেবা প্রোগ্রাম ২.০’-এর অধীনে এখন দেশজুড়ে চালু হয়েছে অত্যাধুনিক ই-পাসপোর্ট (e-Passport)। এটি যেমন নিরাপদ, তেমনই আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করে তোলে।

ই-পাসপোর্ট আসলে কী ?
দেখতে সাধারণ পাসপোর্টের মতো হলেও, ই-পাসপোর্টের কভারে একটি ছোট সোনালী চিপের চিহ্ন থাকে। এর ভেতরে থাকে একটি RFID চিপ ও অ্যান্টেনা। এই চিপে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও বায়োমেট্রিক ডিজিটাল আকারে এনক্রিপ্ট করা থাকে। ফলে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার ঝামেলা অনেকটাই কমে যাবে। 

আবেদনের জন্য কী কী নথি প্রয়োজন ?
আবেদন করার আগে নীচের প্রয়োজনীয় নথিগুলি গুছিয়ে রাখা জরুরি:

পরিচয়পত্র: আধার কার্ড, ভোটার কার্ড বা প্যান কার্ড।

ঠিকানার প্রমাণ: বিদ্যুৎ বিল, ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট বা রেশন কার্ড।

জন্ম তারিখের প্রমাণ: জন্ম শংসাপত্র (Birth Certificate) বা মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড/মার্কশিট।

পুরানো পাসপোর্ট: যদি পাসপোর্ট রিনিউ বা রি-ইস্যু করতে চান, তবে পুরনো পাসপোর্টটি সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক।

মনে রাখবেন: আবেদনের সময় সব নথির আসল কপি (Original) এবং সেলফ অ্যাটেসটেড ফটোকপি (Self-attested photocopy) সঙ্গে রাখতে হবে।

আবেদনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া: ধাপে ধাপে
১. রেজিস্ট্রেশন: প্রথমেই পাসপোর্ট সেবার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.passportindia.gov.in-এ গিয়ে নিজের নাম নথিভুক্ত করুন বা লগ-ইন করুন।
২. আবেদন ফর্ম পূরণ: ‘Apply for Fresh Passport’ অথবা ‘Re-issue’ অপশনে ক্লিক করে ফর্মটি নির্ভুলভাবে পূরণ করুন।
৩. ফি জমা: ফর্ম সাবমিট করার পর অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে নির্ধারিত আবেদন ফি জমা দিন।
৪. অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং: আপনার সুবিধামতো কাছের ‘পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র’ (PSK) বা ‘পোস্ট অফিস পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র’ (POPSK)-এ অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ ও সময় বুক করুন।
৫. বায়োমেট্রিক ও ভেরিফিকেশন: নির্দিষ্ট দিনে নথিপত্র নিয়ে কেন্দ্রে উপস্থিত হন। সেখানে আপনার ছবি এবং আঙুলের ছাপ (Biometric) নেওয়া হবে।
৬. ডেলিভারি: পুলিশ ভেরিফিকেশন ও অন্যান্য প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হলে, আপনার ই-পাসপোর্টটি ডাকযোগে সরাসরি বাড়িতে পৌঁছে যাবে।

মনে রাখবেন, পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানাটা অত্যন্ত জরুরি। এই কাজ সম্পূর্ণ না হলে পাসপোর্ট পাবেন না আপনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks