হুব্বালি: পারস ডোগরা (Paras Dogra), কানহাইয়া ওয়াধওয়ান (Kanhaiya Wadhawan) ও সাহিল লোটরা (Sahil Lotra) হাফসেঞ্চুরি করে রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে ফের এক ক্লান্তিকর দিন ফরহার দিলেন কর্নাটককে (Karnataka vs Jammu & Kashmir)। এক সেঞ্চুরি ও পাঁচ হাফসেঞ্চুরির দাপটে রঞ্জি ট্রফির ফাইালে দ্বিতীয় দিনের শেষে রানের পাহাড়ে জম্মু ও কাশ্মীর। দ্বিতীয় দিনের শেষে প্রথম ইনিংসে তাদের স্কোর ৫২৭/৬। চালকের আসনে পারস ডোগরার দল। সব কিছু ঠিকঠাক চললে ঘরোয়া ক্রিকেটে ইতিহাস হতে পারে। প্রথমবার ফাইনালে উঠেই রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন হতে পারে জম্মু ও কাশ্মীর।
দ্বিতীয় দিন সকালেই দ্বিতীয় নতুন বল নেয় কর্নাটক। বিজয়কুমার বৈশাখ নজর কাড়েন। পরপর চারটি মেডেন ওভার করলেও দিনের খেলা শুরু হওয়ার পর ৪৮ মিনিট কোনও সাফল্যের মুখ দেখেনি কর্নাটক। পুন্ডির ১২১ রান করে বিদ্যাধর পাটিলের বলে ফেরেন। পরের ওভারেই আব্দুল সামাদ ৬১ রান করে আউট হন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে।
কিন্তু পঞ্চম উইকেটে ১১০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে কর্নাটকের হতাশা বাড়ান পারস ডোগরা ও কানহাইয়া। পারস আগের দিন চোট পেয়ে ক্রিজ ছেড়েছিলেন। বুধবার ফিরে লড়াকু ইনিংস খেলেন। তাঁকে শর্ট বল করে পরীক্ষা নেয় কর্নাটক। গায়ে, হেলমেটে বল খেলেও লড়াই ছাড়েননি। ৬১ রান করেন। কানহাইয়া করেন ৭০।
জম্মু ও কাশ্মীর ৪৭১/৬ হয়ে যাওয়ার পর কর্নাটক ম্যাচে ফেরার শেষ সুযোগ পেয়েছিল। তবে অবিচ্ছেদ্য সপ্তম উইকেটে ৫৬ রান যোগ করে ফেলেছেন সাহিল ও আবিদ মুস্তাক। জম্মু ও কাশ্মীরের লোয়ার মিডল অর্ডারের যা ব্যাটিং দক্ষতা, ছশোর নীচে থামলে হয়। যা কর্নাটকের কাজ কঠিন করে তুলবে।
বুধবার, রঞ্জি ট্রফির ফাইনালের দ্বিতীয় দিন বিতর্কে তোলপাড় হল বাইশ গজ। জম্মু ও কাশ্মীরের ১০১তম ওভারের ঘটনা। প্রথম দিন দাপট দেখানোর পর তখন পরপর শুভম পুন্ডির ও আব্দুল সামাদের উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে জম্মু ও কাশ্মীর। কানহাইয়া ওয়াধাবনকে নিয়ে পাল্টা লড়াই চালাচ্ছেন ডোগরা। বল করছিলেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। প্রসিদ্ধর একটি বল ডোগরার ব্যাটের কানায় লেগে বাউন্ডারি হয়ে যায়। তখনই পরিবর্ত হিসাবে ফিল্ডিং করতে নামা আনিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান ডোগরা ।
আনিশ সিলি পয়েন্টে ফিল্ডিং করছিলেন। তিনি ডোগরাকে উদ্দেশ্য করে কিছু মন্তব্য করে থাকতে পারেন বলে ধারণা কারও কারও । ডোগরা আচমকাই গিয়ে তাঁকে ঢুঁসো মারেন। যে কারণে ডোগরার ম্যাচ ফি-র ৫০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।
