March 18, 2026
11a72061ff439ac82920cebcd8a5529f1773833855918507_original.jpg
Spread the love


কলকাতা: আইপিএল (IPL 2026) শুরু হতে আর হাতে গোনা কয়েকদিন বাকি। নিলামের পর মতান্তরে মরশুমের সেরা ফাস্ট বোলিং লাইন আপ গড়েও মরশুম শুরুর আগে বেশ চাপে কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders)। মুস্তাফিজুর রহমানকে বিসিসিআইয়ের নির্দেশে ছেড়ে দিতে হয়েছে। মাথিশা পাথিরানার চোট সংশয় এখনও অব্যাহত। আবার হর্ষিত রানা অস্ত্রোপচার করিয়েছেন। তাঁকে সদ্য বিসিসিআইয়ের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ক্রাচে ভর দিয়ে হাঁটতে দেখা গিয়েছে। তিনি এই মরশুমে  খেলতে পারবেন না বলেই শোনা যাচ্ছে। এই চোট আঘাত সংশয়ের মাঝে তাই বাড়তি দায়িত্ব থাকবে বৈভব আরোরার (Vaibhav Arora) কাঁধে। 

২৮ বছরের বৈভব ২০২৩ সাল থেকে কেকেআরের অংশ। ইতিমধ্যেই ৩২টি আইপিএল ম্যাচে ৩৬টি উইকেট রয়েছে তাঁর ঝুলিতে, তাও আবার ১৭.৭২-র নজরকাড়া স্ট্রাইক রেটে। নতুন মরশুমের আগে নিজের বোলিং নিয়ে নেটে প্রচুর খাটা খাটনি করছেন বৈভব। ২৮ বছর ফাস্ট বোলার নতুন বলে তাঁর দক্ষতার জন্য পরিচিত। তবে আসন্ন মরশুমের আগে নিজের বোলিংয়ে বৈচিত্র আনতে এবং বিভিন্ন সময়ে বোলিং করার দক্ষতা বাড়তে উৎসুক তিনি।

গত মরশুমে কেকেআরের ব্যর্থতার অন্যতম বড় কারণ ছিল ডেথ ওভারে বোলিং। সেই বিভাগেই উন্নতি করতে তৎপর ‘আম্বালা এক্সপ্রেস’। কেকেআরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বৈভব জানান, ‘মোটের উপর প্রস্তুতিটা ভালই হচ্ছে। আমরা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছি এবং নেটেও নিজেদের বোলিংয়ে বৈচিত্র আনার জন্য খাটছি। ফাস্ট বোলার হিসাবে সবসময়ই নিজেকে উন্নত করা এবং ভালভাবে প্রস্তুতি করাটা জরুরি, যাতে ম্য়াচের সময় সেগুলি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায়।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আগের বছরে তো দেখেইছেন যে ইডেন গার্ডেন্সে প্রথম তিন থেকে চার ওভারের বেশি নতুন বল স্যুইং করে না। তারপরে পরিবেশ এবং পিচের চরিত্রের জন্য বল স্যুইং হয় না। তাই এমন পরিস্থিতিতে বোলিংয়ে বৈচিত্র আনাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। গত বছর নতুন বলে ইয়র্কার করার ক্ষেত্রে আমরা বেশ খানিকটা সাফল্য পেয়েছিলাম। বোলার হিসাবে তো আমাদের মাঠের আকার কাজে লাগিয়ে প্রতিটি ব্যাটার অনুযায়ী কোন বল করব সেটা ঠিক করতে হবে। হার্ড লেংথে বল করলে সেই বলে ভাল গতির প্রয়োজন এবং ব্যাটাররা যাতে মারার জায়গা না পায়, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। আর পিচে যদি মদত থাকে, তাহলে তো ইয়র্কারের পাশাপাশি মন্থর গতির বল, মন্থর গতির বাউন্সার খুবই কার্যকরী হয়ে উঠে।’

মোটের ওপর বলা বাহুল্য যে নতুন মরশুমের আগে বৈভব নিজের বোলিংয়ে বৈচিত্র যোগ করতে বদ্ধপরিকর। যাতে শুধু নতুন বল নয়, ইনিংসের যে কোনও সময়েই তিনি বল হাতে দলের ভরসা হয়ে উঠতে পারেন। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks