February 22, 2026
73d5ae7577e87e6a168a5e7041b690c01766845644731170_original.jpg
Spread the love


ভারতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ‘তর্জন-গর্জন’ করতে শোনা গেছে তাঁকে। কিন্তু, নিজের দেশেই সমালোচিত পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। এর পাশাপাশি দেশের সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন পাকিস্তানের একটা বড় অংশের মানুষ। এই হারে দেশত্যাগের তথ্য নিয়ে ইতিবাচক তত্ত্ব তুলে ধরে বিষয়টিকে ‘ব্রেন গেম’ বলেছিলেন মুনির। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি পাকিস্তানিরা।

নেপথ্যে কী ?

এর নেপথ্যে রয়েছে ভয়ঙ্কর তথ্য। দেশে আর্থিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই হাজার হাজার ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার দেশ ছাড়ছেন গত দুই বছর ধরে। সাম্প্রতিক সরকারি একটি রিপোর্টেই সেই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ মাসে পাকিস্তানে খুইয়েছে ৫ হাজার চিকিৎসক, ১১ হাজার ইঞ্জিনিয়ার ও ১৩ হাজার অ্য়াকাউনটেন্ট।

এই রিপোর্ট আবার হাইলাইট করেছেন পাকিস্তানেরই এক সেনেটর। মুস্তাফা নওয়াজ খোখার। একের পর এক পাক নাগরিকের দেশত্যাগের তথ্য তুলে ধরে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘অর্থনীতি ঠিক করতে রাজনীতিকে ঠিক করুন। পাকিস্তান চতুর্থ বৃহত্তম ফ্রিল্যান্সিং হাবও এবং ইন্টারনেট বন্ধের ফলে ১.৬২ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে, যার ফলে ২.৩৭ মিলিয়ন ফ্রিল্যান্সিং চাকরি ঝুঁকির মুখে পড়েছে।’

দেশত্যাগের ডেটায় কী রয়েছে ?

সম্প্রতি পাকিস্তানের Bureau of Emigration and Overseas Employment এই তথ্য বের করেছে। যার জেরে পাকিস্তানের ভয়ঙ্কর ছবিটা সামনে চলে এসেছে। সেই অনুযায়ী, ২০২৪ সালে পাকিস্তান থেকে বিদেশে চাকরি করতে যাওয়ার জন্য রেজিস্ট্রি করেছেন ৭২৭,৩৮১ পাকিস্তানি। এ বছর নভেম্বর মাস পর্যন্ত রেজিস্ট্রি করেছেন ৬৮৭,২৪৬ পাকিস্তানি। কিন্তু, এরমধ্যে সবথেকে উদ্বেগের বিষয় হল, দেশত্যাগ এখন আর কেবল গল্ফভুক্ত দেশগুলিতে মজুরির সন্ধানে থাকা শ্রমিকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই অথবা বিদেশে পাড়ি জমানোর চেষ্টাকারী “পেশাদার ভিক্ষুকদের” মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এই দেশত্যাগের জেরে সবথেকে বেশি সমস্যা দেখা দিয়েছে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে। ২০১১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে, পাকিস্তানে নার্সদের অভিবাসনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ২,১৪৪%। এই বছরও এই প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে, পাকিস্তানের এক্সপ্রেস ট্রাইবুনের রিপোর্ট এমনই বলছে।

এই পরিস্থিতিতে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা বাড়িয়েছে শেহবাজ শরিফ নেতৃত্বাধীন সরকার। ২০২৫ সালেই পাকিস্তানি বিমানবন্দরে বিমান থেকে ৬৬ হাজার ১৫৪ জন যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়া হয়। যা গত বছরের থেকে প্রায় দ্বিগুণ। এদিকে ভিক্ষাবৃত্তি এবং অবৈধ অভিবাসনের জন্য উপসাগরীয় দেশ এবং অন্যান্য দেশ থেকে হাজার হাজার পাকিস্তানিকে নির্বাসিতও করা হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks