February 24, 2026
54bfd84461a00d614352ec7f3192d7a11768320738343170_original.jpg
Spread the love


‘প্রতিবাদ জারি রাখুন। আপনাদের জন্য সাহায্য পৌঁছাচ্ছে।’ ইরানে সরকার-বিরোধী প্রতিবাদীদের উদ্দেশে এমনই বার্তা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে, কীভাবে সাহায্য পাঠানো হচ্ছে তা খোলসা করেননি তিনি। গত কয়েকদিন ধরে চলতে থাকা অশান্তির জেরে ইরানে ইতিমধ্যে প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে, এমনই খবর সামনে আসার আবহেই এই বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প। 

Truth Social-এ একটি পোস্টে তিনি লেখেন, “ইরানের দেশপ্রেমীরা, আপনারা প্রতিবাদ চালিয়ে যান – আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলির দখল নিন ! খুনি এবং নির্যাতনকারীদের নামগুলি মনে রাখুন। তাদের বড় মূল্য দিতে হবে। বিক্ষোভকারীদের নির্মম হত্যা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমস্ত বৈঠক বাতিল করেছি। সাহায্য আসছে। MIGA!!! প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ডে ট্রাম্প।” 

সাম্প্রতিক সময়ে এমনিতেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্পর্কের চূড়ান্ত অবনতি হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সাহায্য পাঠানোর বার্তা ঘিরে চাপা উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আগেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন যে, ইরান নিয়ে খুব জোরাল পদক্ষেপের কথা ভাবছে মার্কিন সেনা। যার পাল্টা জবাব দিয়েছিলেন ইরানের আধিকারিকরা।

হোয়াইট হাউসের প্রেসসচিব ক্যারোলিন লিয়াভিট গতকালই সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘অনেক বিকল্পের মধ্যে এয়ারস্ট্রাইক অপশন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও প্রশাসনের প্রথম পছন্দ কূটনীতি।’ প্রসঙ্গত, সোশাল মিডিয়ায় ট্রাম্প আগেই লিখেছিলেন, “ইরান স্বাধীনতা চাইছে, আগের চেয়েও বেশি মরিয়া। আমেরিকা সাহায্য় করতে প্রস্তুত।”

এদিকে দেশে যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তার জন্য এর আগে সরাসরি আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলকে দায়ী করেছিল ইরান। শুধু তাই নয়, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তার পাল্টা জবাবও দেয় ইরান। প্রয়োজনে আমেরিকাকে আঘাত করতে পিছপা হবে না বলে জানিয়েছিল তারা।

গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত ইরান। অশান্তির আগুনে জ্বলছে বিভিন্ন শহর। নাগরিক প্রতিবাদ লেগেই রয়েছে। একের পর এক হিংসার ঘটনায় প্রাণহানিও হচ্ছে। সংখ্যাটা কত তা জানা গেছে এদিন। ইতিমধ্যেই প্রায় ২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন ইরানে চলতে থাকা প্রতিবাদে। এরমধ্যে রয়েছেন নিরাপত্তাকর্মীরাও। মঙ্গলবার এমনই জানান ইরানের এক আধিকারিক। গত দুই সপ্তাহ ধরে দেশজুড়ে চলতে থাকা অস্থিরতার জেরে এত সংখ্যক প্রাণহানির কথা কার্যত এই প্রথম স্বীকার করল কর্তৃপক্ষ। সংবাদ সংস্থার সঙ্গে কথা বলার সময় ইরানের আধিকারিক জানান, প্রতিবাদী ও নিরাপত্তাকর্মী উভয় পক্ষের মৃত্যুর পিছনেই রয়েছে জঙ্গিরা। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks