April 10, 2026
ee8d1660780af752a213bfbe2327aac11770017668451170_original.jpg
Spread the love


এবার বিতর্কে জড়ালেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। আইসিসি অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ চলাকালীন বিতর্কের সূত্রপাত। পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব ১৯ দলের সঙ্গে রয়েছেন তিনি। দলের মেন্টর হিসাবে। রবিবার ম্যাচ চলাকালীন, সম্প্রচার ক্যামেরায় ধরা পড়ে ড্রেসিং রুমে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন সরফরাজ। আইসিসি-র নিয়ম অনুযায়ী, খেলোয়াড় ও ম্যাচ আধিকারিকদের এরিয়ায় (Players’ and Match Officials’ Areas) মোবাইল ফোন বা কমিউনিকেশনসের জন্য ব্যবহৃত যে কোনও রকমের ডিভাইস নিষিদ্ধ। এই পরিস্থিতিতে,সরফরাজের মোবাইল ফোন ব্যবহারের ছবি সঙ্গে সঙ্গে সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। প্রাক্তন পাক অধিনায়কের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। কিন্তু, এরজন্য কি তিনি শাস্তির মুখে পড়তে পারেন ?

ম্যাচ ফিক্সিং ঠেকাতে, আইসিসির নিয়ম অনুসারে, একজন খেলোয়াড় পিএমওএতে (ড্রেসিং রুম, ডাগআউট, টেকনিক্যাল এরিয়া) প্রবেশের মুহূর্ত থেকে খেলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত, কোনও ব্যক্তির কোনও কারণে মোবাইল ডিভাইস বা কোনও যোগাযোগ ডিভাইস বহন বা ব্যবহার করার অনুমতি নেই। কাজেই, দলের মেন্টর সরফরাজ সরফরাজ আহমেদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ম লঙ্ঘনেরই শামিল। এর ফল হিসাবে, সাসপেনসন বা নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে তাঁকে। 

সরফরাজ আহমেদ কি তাহলে সমস্যায় পড়তে চলেছেন ?

না। এক অভিনব পরিস্থিতিতে, সরফরাজ আহমেদকে PGMOA এলাকায় ফোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের প্রাক্তন এই অধিনায়ক ২০২৬ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের জন্য টিম ম্যানেজার হিসেবে তালিকাভুক্ত। সেক্ষেত্রে তিনি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারেন। যদিও, ক্রিকেট অপারেশনের কাজেই বা কোনও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়ে ফোন ব্যবহার করা যাবে।

লক্ষ্য ছিল ২৫৩ রান। তবে ৫০ ওভার নয়, সেমিফাইনালে পৌঁছতে হলে পাকিস্তানকে ৩৩.৩ ওভারে এই রান তাড়া করতে হত। তা তো হলই না, উপরন্তু ভারতের বিরুদ্ধে গো হারান হারলেন ফারহান ইউসুফরা। অপরাজিত থেকেই শেষ দল হিসাবে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের (U 19 World Cup 2026) সেমিফাইনালে নিজেদের জায়গা পাকা করে নিলেন আয়ুষ মাত্রেরা। খিলান পটেল ও আয়ুষের স্পিন ফাঁদে ১৯৪ রানেই অল আউট হয়ে গেল পাকিস্তান। ৫৮ রানে জিতল ভারত। সামির মিনহাসকে নয় রানে ফিরিয়ে ভারতের হয়ে নতুন বলে শুরুটা বেশ ভালই করেছিলেন হেনিল পটেল। তবে হামজ়া জাহৌর আর উসমান খান দুরন্ত পার্টনারশিপে পাকিস্তানকে লড়াইয়ে ফেরান। বেশ আগ্রাসী মেজাজেই ব্যাট করছিলেন হামজ়া। তাঁকে ৪২ রানে আউট করে কণিষ্ক চৌহান ভারতকে বড় সাফল্য এনে দেন। এরপর পাকিস্তান অধিনায়ক ফারহান ইউসুফও ব্যাটে নেমে দ্রুত রান করেন। তৃতীয় উইকেটে তিনি উসমানের সঙ্গে অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ গড়েন। পাকিস্তানের ১৫০ রানের গণ্ডিও পার করে ফেলে।

তবে এরপরেই পাকিস্তানের ব্য়াটিংয়ে ধস নামান ভারতীয় স্পিনাররা। ফারহান ৩৮ রানের ইনিংস খেলে ফেরেন। উসমান ৬৬ রান করলেও পাকিস্তানের সেমিফাইনালে পৌঁছনোর জন্য যে গতিতে রান করার প্রয়োজন ছিল, তা তিনি করতে পারেননি। ফলে ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই ভারত সেমিফাইনালের টিকিট পাকা করে ফেলেছিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks