August 2, 2026
0cc7389c07c0eade49a54ec4a5e45a02177030041533150_original.jpg
Spread the love


করাচি: টি-২০ বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB) একটি বড় আর্থিক সংকটের দিকে এগোচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারি হতে চলা ম্যাচ থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত এখন শুধু খেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর প্রভাব সরাসরি অর্থ এবং আইনি জটিলতায় পর্যবসিত হতে পারে। শোনা যাচ্ছে, আইসিসি (ICC) পাকিস্তানকে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে যে, যদি তারা ভারতের সঙ্গে ম্যাচ না খেলে, তবে তাদের বড় ক্ষতি হতে পারে।

ভারতের সঙ্গে ম্যাচ না খেলার খেসারত!

ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচ যে কোনও আইসিসি টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। এই ম্যাচের উপর ভরসা করেই ব্রডকাস্টাররা (সম্প্রচারকারী চ্যানেল) কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করে। জানা গিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচ থেকে ব্রডকাস্টারদের ৮৩০০ কোটি টাকা  আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এমতাবস্থায়, যদি পাকিস্তান পিছিয়ে আসে, তবে এটিকে সরাসরি সম্প্রচার চুক্তি ভাঙার সমান ধরা হবে।

ব্রডকাস্টাররা নিতে পারে আইনি পদক্ষেপ

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সরকারি ব্রডকাস্টার JioStar এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ এবং তারা আইনি পথ অবলম্বন করতে পারে। কেবল একটি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হওয়ার কারণে কয়েকশো কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সম্প্রচার চুক্তি এই শর্তে হয়েছিল যে, উভয় দল মুখোমুখি খেলবে। যদি পাকিস্তান ম্যাচ না খেলে, তবে মামলাটি শুধু PCB-এর উপর নয়, ICC-র বিরুদ্ধেও হতে পারে।

ICC আটকাতে পারে পাকিস্তানের তহবিল

ICC এই ক্ষতির ক্ষতিপূরণ করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, পাকিস্তানকে যে বার্ষিক ICC তহবিল দেওয়া হয়, তা বন্ধ করা যেতে পারে। এই পরিমাণ প্রায় ৩৫ মিলিয়ন ডলার, যা PCB-এর মোট আয়ের একটি বড় অংশ। যদি এই টাকা বন্ধ হয়ে যায়, তবে পাকিস্তান ক্রিকেটের আর্থিক অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে।

সরকারের মনোভাবের কারণে বেড়েছে সমস্যা

পাকিস্তান সরকারও এই সিদ্ধান্তে অনড় দেখা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, দল ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না। যদিও ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, এই সিদ্ধান্ত খেলার চেয়ে রাজনীতির সঙ্গে বেশি জড়িত, যার ফলস্বরূপ খেলোয়াড় এবং বোর্ডকে ভুগতে হতে পারে।

পিসিবির (PCB) আত্মরক্ষার চেষ্টা

এবার PCB ‘ফোর্স মেজোর’ -এর মতো নিয়মগুলির আশ্রয় নেওয়ার কথা ভাবছে, তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই যুক্তি খুব একটা জোরাল নয়। পাকিস্তান ইতিমধ্যেই নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলছে, এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা বা বাধ্যবাধকতার যুক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। মনে করা হচ্ছে, ICC এবং অন্যান্য বোর্ড এই বিষয়ে পাকিস্তানের পক্ষে নেই।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks