February 22, 2026
124c0a81c19e12249852e91569f247961770949216555170_original.jpg
Spread the love


বিজেন্দ্র সিংহ, ঝিলম করঞ্জাই, ঢাকা : দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর ভোট হল বাংলাদেশে। এবার প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে কোন পথে গড়াবে ভারতের সম্পর্ক ? পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। বোঝালেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র। ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান অনেক বাংলাদেশিও।

একটা সময়ে বাংলাদেশে নির্বাচন মানেই ছিল হাসিনা বনাম খালেদা। কিন্তু, তিরিশ বছরে এই প্রথম পদ্মাপাড়ে এমন একটা ভোট হল, যেখানে এই দু’জনের কেউ নেই। খালেদা জিয়া প্রয়াত। আর প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশছাড়া। নিষিদ্ধ হওয়ায় ভোটেও লড়তে পারল না তাঁর দল – আওয়ামি লিগ। ভোটে লড়ল তারেক রহমানের দল BNP, জামাতে ইসলামি, NCP অর্থাৎ ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির মতো দলগুলি। যারা কেউই ভারতপন্থী তো নয়, বরং অনেক বেশি ভারত-বিরোধী এবং পাকিস্তান ও চিনপন্থী। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ভোটের দিকে নজর রয়েছে নয়াদিল্লির। 

বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “(বাংলাদেশের) নির্বাচনের ফলাফলের জন্য আমাদের অপেক্ষা করা উচিত, এটা দেখার জন্য যে জনগণের কী রায় এবং তারপর আমরা সেখানে কী কী বিষয় রয়েছে সেটা দেখব। নির্বাচনের বিষয়ে, আপনি জানেন যে আমাদের অবস্থান কী। আমরা বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, সর্বব্যাপী এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের পক্ষে।”

BNP এবং জামাতের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কখনই মধুর ছিল না। BNP-জামাতের জোট সরকারের আমলে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলিকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিল নয়াদিল্লি। এখানেই আন্তর্জাতিক মহলে যে প্রশ্নটা ঘোরাফেরা করতে শুরু করে দিয়েছে, তা হল— ক্ষমতায় তো এদের মধ্য়েই কেউ না কেউ আসবে। তাহলে আগামী দিনে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কোন পথে এগোবে ?

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ঈশানী নস্কর বলেন, “আমাদের ভারত সরকারের পক্ষ থেকে নানারকম ইঙ্গিত গেছে যে আমরা BNP-র সঙ্গে সম্পর্ক ভাল রাখতে চাই এবং BNP যদি এই নির্বাচনে জেতে তাহলে কূটনৈতিকভাবে ভারতের দিক থেকে অনেকটা সুবিধা হবে। যদি জামাত জেতে তাহলে ভারতকে সমীকরণটা সেভাবে সাজিয়ে নিতে হবে।” 

বাংলাদেশের নাগরিকদের একাংশের কাছে অবশ্য় ভারত এখনও পরিবারের মতোই। এবিষয়ে BNP চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ BNP নেতা মাহদি আমিন জানিয়েছেন, প্রতিটি সমস্যাই মানুষে-মানুষে যোগাযোগ আরও নিবিড় করে তোলার জন্য একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে। আমরা এমন সম্পর্ক চাই, যেখানে দুই দেশই সমান এবং ন্যায্য ভাবে উপকৃত হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks