March 13, 2026
aacca5043e65fb1251b0a0c4e5d72a681772548478931394_original.jpeg
Spread the love


Show Quick Read

Key points generated by AI, verified by newsroom

Strait Of Hormuz : মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার জেরে বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় ঘুম উড়েছে তেল আমদানিকারক দেশগুলির। এই পরিস্থিতিতে ভারত কতদিন জ্বালানির জোগান দিতে পারবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

ভারতের হাতে কত দিনের তেল মজুত আছে ?
বর্তমানে ভারতের কাছে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল (Crude Oil) মজুত রয়েছে। এনার্জি অ্যানালিটিক্স সংস্থা ‘কেপলার’ (Kpler)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী:

এই মজুত দিয়ে ভারত তার প্রয়োজনীয় তেলের চাহিদা প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ দিন মেটাতে পারবে।

এই তেলের একটি অংশ রয়েছে মাটির নীচের কৌশলগত ভাণ্ডারে (Strategic Petroleum Reserves), কিছু অংশ বড় বড় স্টোরেজ ট্যাঙ্কে এবং বাকিটা বর্তমানে জাহাজে করে ভারতের পথে রয়েছে।

হরমুজ প্রণালী কেন ভারতের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ ?
ভারত তার প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৮৮% আমদানি করে। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি থেকে। এই বিপুল পরিমাণ তেল এবং কাতার থেকে আসা এলএনজি (LNG) মূলত হরমুজ প্রণালী দিয়েই ভারতে পৌঁছায়। এই পথ বন্ধ হলে সরাসরি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি তেলের আকাশচুম্বী দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।                 

বিকল্প পথ কী ভারতের সামনে ?
যদি মধ্যপ্রাচ্যের সরবরাহ সাময়িকভাবে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, তবে ভারত নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি নিতে পারে:
১. নতুন বাজার অনুসন্ধান: পশ্চিম আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা ও আমেরিকা থেকে তেল আমদানি বাড়ানো।
২. রুশ তেলের ওপর নির্ভরতা: বর্তমান পরিস্থিতির মোকাবিলায় রাশিয়া থেকে তেলের আমদানি আরও বৃদ্ধি করা।
৩. কৌশলগত মজুত ব্যবহার: আপৎকালীন পরিস্থিতিতে মাটির নীচে জমানো তেলের ভাণ্ডার ব্যবহার করে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানো।

Indian Stock Market :  দোল উৎসবের ছুটির পর বুধবার ফের বড় ধস নামতে পারে ভারতের শেয়ার বাজারে। ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের জন্য এখনও খুব একটা সুখবর নেই বললেই চলে। পশ্চিম এশিয়ায় ঘনীভূত হওয়া যুদ্ধের ছায়া সরাসরি আছড়ে পড়ছে ভারতের দালালাল স্ট্রিটে। গিফট নিফটি (Gift Nifty) এবং বিশ্ববাজারের গতিপ্রকৃতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বুধবার সকালে সেনসেক্স ও নিফটি এক বিশাল ‘গ্যাপ-ডাউন’ (Gap-down) বা বড় পতনের সাথে যাত্রা শুরু করতে পারে।

কেন এই অস্থিরতা ?
ইরান ও আমেরিকার মধ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতই এই আতঙ্কের মূল কারণ। সোমবার থেকেই অপরিশোধিত তেলের (Crude Oil) দাম আকাশছোঁয়া। ব্রেন্ট ক্রুড ব্যারেল প্রতি ৮০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ইরানের পক্ষ থেকে রিয়াদের মার্কিন দূতাবাসে হামলা এবং স্ট্রেইট অব হরমুজ (Strait of Hormuz) বন্ধ করে দেওয়ার হুমকির ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি নিরাপত্তার সংকট তৈরি হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks