March 16, 2026
7f95758050984e096e590093d58567cb1773633006467484_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত আরও তীব্র। ফের দুবাইতে ড্রোন হামলা চালাল ইরান।  ড্রোন হামলার পর সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্য়েই ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নিয়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঙ্কার দিয়ে বলেন, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। কিন্তু আমার মনে হয় না, তারা সেটা করতে প্রস্তুত। আমরা যা শুরু করেছি, তা শেষ করবই’, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নিয়ে ফের হুঙ্কার ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

আরও পড়ুন, ‘২০২১-এ, ভোট পরবর্তী হিংসার জায়গায়, কোন OC ও ঊর্ধ্বতন অফিসাররা ছিলেন?’, তালিকা চেয়ে পাঠাল কমিশন

দুবাইতে এয়ারপোর্টের কাছে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। ড্রোন হামলার পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। যুদ্ধের ১৭তম দিনে ইজরায়েল ও অন্যান্য দেশে আমেরিকার ঘাঁটিতে হামলা ইরানের। এ পর্যন্ত ৭০০ মিসাইল, সাড়ে ৩ হাজারের বেশি ড্রোন হামলা, দাবি তেহরানের। গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের ২০০ জায়গায় হামলা চালানো হয়েছে, দাবি ইজরায়েলের। 

দেখতে দেখতে দু’সপ্তাহ পার, ইরানের সঙ্গে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যুদ্ধ চরমে। পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক সংঘাত মেটার কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। শনিবারই ইরানের খার্গ দ্বীপে ৯০ টিরও বেশি জায়গায় হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এই হামলা নিয়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে আমেরিকার সেনা। এই অভিযানে খার্গ দ্বীপ প্রায় সম্পূর্ণ  ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে শুধুমাত্র মজা করতে আরও কয়েকবার আঘাত হানতে পারি।
 
ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির দাবি, হামলা চালানোর জন্য আমেরিকা ব্যবহার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দু’টি ঘাঁটি। আমেরিকার হামলার পর সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে হামলার ঝাঁজ বাড়িয়েছে তেহরান। রবিবারও দুবাইতে একাধিক হামলা চালিয়েছে ইরান। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ফুজাইরা তেল টার্মিনালেও হামলা চালানো হয়। যার জেরে আগুন ধরে যায় ওই কেন্দ্রে। তেল আবিবেও ক্ষেপণাস্ত্র হানা চালিয়েছে ইরান। পাশাপাশি, ইজরায়েল অধিকৃত অঞ্চলেও লাগাতার গোলাবর্ষণ করে চলেছে ইরান। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরে ইজরায়েলের রামলা শহরেও আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। ইরাকে অবস্থিত আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়েছে।ইসরায়েলের বিমান হামলার ফলে ইরানের বাযুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত ধোঁয়ার মেঘ।সেই মেঘ থেকে নেমে আসছে “কালো বৃষ্টি”। যা নিয়ে চিন্তায় পরিবেশবিদরা। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks