মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার আগুন জ্বলছে। আর তার মধ্যেই আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া বার্তা দিয়েছেন। তাঁর এই বার্তায় তিনি সরাসরি ‘ভর্ৎসনা’ করেছেন ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে। ইরানের সাউথ পারস গ্যাস ফিল্ড বিশ্বের অন্যতম বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র। আর এর একটা অংশেই হামলা করেছিল ইজরায়েল।
এই প্রসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তাঁর সরাসরি কথা হয়েছে। “আমি তাঁকে জানিয়েছি এমন না করতে। তিনি এই বিষয়ে আমার সঙ্গে একমত হয়েছেন”, বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে একটা সমন্বয় থাকলেও দুই দেশই স্বাধীন ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকের যে তারা কে কী করবে। তবে, কখনও কখনও ইসরায়েলের কোনও পদক্ষেপ তার পছন্দ না হলে তিনি তা থামানোর চেষ্টা করেন বলেও জানান তিনি।
On being asked if he had a conversation with Israeli Prime Minister Netanyahu about attacking the oil and gas fields, US President Donald Trump says, “Yeah, I did. I told him, don’t do that. He won’t do that. We didn’t discuss. We’re independent. We get along great. It’s coordinated. But on occasion, he’ll do something. And if I don’t like it, so we’re not doing that anymore… https://t.co/r6kGguqjXA pic.twitter.com/4GNqmA0DES
— ANI (@ANI) March 19, 2026
এক বিবৃতি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, মধ্যেপ্রাচ্যে যা পরিস্থিতি, তা নিয়েই ক্ষোভ থেকে ইজরায়েল এই হামলা চালিয়েছে বলে জানান ট্রাম্প। এ ছাড়াও তিনি বলেন, এই হামলার ফলে ওই গ্যাস ক্ষেত্রের একটা ছোট অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়াও তিনি স্পষ্ট করেছেন এই হামলা নিয়ে আগে থেকে কিছুই জানত না আমেরিকা। এ ছাড়াও কাতারেরও কোনও ভূমিকা ছিল না।।
তবে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে তখন, যখন ইরান এই বিষয়ে কিছুই না জেনে কাতারের উপর হামলা চালায়। কাতারের LNG তৈরির পরিকাঠামোয় আঘাত করে ইরান। ট্রাম্প এই আক্রমণকে ‘অন্যায় ও অযৌক্তিক’ বলে দগিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আগামীতে তেহরান যেন এমন পদক্ষেপ না করে। তিনি আরও বলেন, “ইরান আগামীতে কাতারকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়লে আমেরিকা তার কঠোর জবাব দিতে পারে।”
