March 26, 2026
ab818b6d4ec840f2bae4406f6b2175df1774545076200170_original.jpg
Spread the love


ওয়াশিংটন ডিসি : ইরানের কাছ থেকে রহস্যজনক উপহার পেয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ? বৃহস্পতিবার এনিয়ে বড় দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। চলতি সপ্তাহের গোড়ার দিকে রহস্যজনক উপহারের কথা বলেছিলেন তিনি। সেটা কী তা নিয়ে এবার বড় দাবি করলেন ট্রাম্পর। তা হল, ‘তেলভর্তি ১০টি জাহাজ।’

তাঁর কথায়, ইরান যে সমঝোতা করতে রাজি তার প্রমাণ দিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে নাকি ওই জাহাজগুলিকে সফলভাবে ছেড়ে দিয়েছে। এরমধ্যে কয়েকটি পাকিস্তানের পতাকাবাহী জাহাজ আছে। হোয়াইট হাউসে ক্যাবিনেট মিটিং চলাকালীন এনিয়ে মন্তব্য করেন ট্রাম্প । তিনি বলেন, “ওরা বলেছিল, আমরা যে বাস্তব ও নির্ভরযোগ্য এবং আমাদের অস্তিত্ব আছে, তা আপনাদের দেখানোর জন্য আপনাদের আটটি তেলের জাহাজ দেব, আটটি জাহাজ, আটটি বড় তেলের জাহাজ। আমার মনে হয় ওরা ঠিকই বলেছিল, এবং বাস্তব কথা বলেছিল, আর আমার ধারণা সেগুলিতে পাকিস্তানের পতাকা ছিল… শেষ পর্যন্ত দশটি জাহাজ দেওয়া হয়েছে।”

মঙ্গলবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, “এটা খুব বড় উপহার, প্রচুর টাকার, আমি আপনাদের বলব না উপহারটা কী, কিন্তু খুব বড় রকমের পুরস্কার।” প্রসঙ্গত, ইরান হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যুদ্ধ প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করা জাহাজগুলিকে আটকে দিচ্ছে। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে অল্প কিছু অন্য জাহাজকে যেতে দেওয়া হচ্ছে।

গত শনিবারই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, হরমুজ প্রণালী যাতায়াতের জন্য যদি আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরান খুলে না দেয় তাহলে ইরানের পরিকাঠামোয় বোমা নিক্ষেপ করা হবে। ইউএস সেন্টকম জানায়, মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালী ও আশপাশে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে এমন ইরানি নৌ টার্গেটগুলিকে ধ্বংস করছে। ট্রাম্পের হুমকির পর পরই আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনে (IMO) নিযুক্ত ইরানের প্রতিনিধি আলি মুসাভি জানিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালী সবার জন্য বন্ধ নয়। তবে ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো “শত্রু রাষ্ট্রগুলির” সঙ্গে যুক্ত জাহাজগুলি চলাচলের অনুমতি পাবে না। মুসাভি জানান, যেসব জাহাজ ইরানের শত্রু নয়, তারা তেহরানের সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা সমন্বয় করে চলে, তারা এই রুট ব্যবহার করতে পারবে। 

এরপরই খবর আসে হরমুজ প্রণালীতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে ইরান। এই সংকীর্ণ জলপথ থেকে সুবিধা আদায়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। কিছু জাহাজ এই জলপথ অতিক্রম করলে তাদের ২ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৮.৮ কোটি টাকা) চার্জ করার সিদ্ধান্ত নেয় ইরান। ইরান ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ইরান সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির সদস্য ও আইনপ্রণেতা আলাউদ্দিন বোরুজের্দি রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান ব্রডকাস্টিং (আইআরআইবি)-কে জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ নিয়ন্ত্রণের নতুন পদ্ধতির সূচনা করে ব্যাপক হারে টোল আদায় ইতিমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks