নয়াদিল্লি : দেশজুড়ে উদ্বেগ রয়েছেই। আগামী দিনে কী হবে রান্নার গ্যাসের ? সংকট কি মিটবে ? এই আবহে এবার বড় খবর সামনে এল। হরমুজ প্রণালী পার করে ফেলেছে ভারতের পতাকাবাহী এলপিজি-বাহী দু’টি জাহাজ। খবর অনুযায়ী, এই জাহাজ দু’টিতে যে পরিমাণ LPG রয়েছে তা গোটা দেশের একদিনের রান্নার গ্যাসের চাহিদা মেটাতে পারবে। শীঘ্রই এই দু’টি জাহাজ ভারতে পৌঁছে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। LPG News
এক বিবৃতিতে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে, BW TYR এবং BW ELM সম্মিলিতভাবে প্রায় ৯৪,০০০ টন এলপিজি পরিবহন করছে। BW TYR-এর ৩১ মার্চ মুম্বই পৌঁছানোর কথা রয়েছে, অন্যদিকে BW ELM-এর ১ এপ্রিল নিউ ম্যাঙ্গালোরে পৌঁছানোর কথা।
এই দুটি জাহাজ যদি শেষমেশ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করতে পারায়, এনিয়ে ইরানের তরফে ভারতের ছটি এলপিজি-বাহী জাহাজ নিরাপদে পেরনোর সংকেত পেল। এখন পর্যন্ত, ইরান কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র পাওয়ার পর ভারতের পতাকাবাহী চারটি এলপিজি জাহাজ হরমুজ জলপথ দিয়ে দেশে পৌঁছেছে। হরমুজ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, যা দিয়ে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ অপরিশোধিত তেল, গ্যাস এবং মূল্যবান পণ্য পরিবহন করে।
ভারতের জন্য খুলে গেছে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz)। ইরান জানিয়ে দিয়েছে, বন্ধু দেশের জন্য খোলা থাকবে তাদের দরজা (Hormuz Opens For India)। ইরানের সরকারি টিভিতে এক সাক্ষাৎকারে বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি। পাঁচ বন্ধু দেশের জন্য এটি খোলা রয়েছে। এর মধ্যেই নাম রয়েছে ভারতের। অন্য দেশগুলির মধ্যে রয়েছে- রাশিয়া , চিন, পাকিস্তান, ইরাক।
দিন দিন ভারত-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তীব্র হচ্ছে। যদিও এনিয়ে বারবার আশ্বস্ত করছে ভারত সরকার। পর্যাপ্ত মজুত আছে বলে জানানো হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, দিন তিনেক আগে বিভিন্ন রাজ্য়ের মুখ্য়মন্ত্রীর সঙ্গে এনিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকও করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ‘টিম ইন্ডিয়া’ হয়ে কাজ করলে, এই পরিস্থিতিও সাফল্য়ের সঙ্গে মোকাবিলা করা যাবে। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের ফলে তৈরি পরিস্থিতিতে বিভিন্ন রাজ্য়ের মুখ্য়মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে এমনই মন্তব্য় করেন প্রধানমন্ত্রী। এবার ফের যুদ্ধের জন্য তৈরি হওয়া সংকটের মোকাবিলা কীভাবে করতে হবে তা নিয়ে বললেন তিনি। প্রসঙ্গত, ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলার এখনও পরিসমাপ্তি ঘটেনি।
