গুয়াহাটি: মাত্র ১১ ওভারের ম্যাচ, তাতেও কিন্তু ১৫০ রানের গণ্ডি পার করে ফেলল রাজস্থান রয়্যালস। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে (RR vs MI) তাদের ইনিংস থামল তিন উইকেটের বিনিময়ে ১৫০ রানে। যশস্বী জয়সওয়াল (Yashasvi Jaiswal) ৭৭ রানে অপরাজিত রইলেন।
এদিন বৃষ্টির জেরে ম্যাচ নির্ধারিত সময়ের আড়াই ঘণ্টারও বেশি পরে শুরু হয়। ম্যাচ ২০ ওভার থেকে কমিয়ে ১১ ওভারের করে দেওয়া হয়। ৩.২ ওভারের পাওয়ার প্লে আর চার বোলার দুই ওভার ও এক বোলার সর্বোচ্চ তিন ওভার করতে পারেন বলে নির্ধারিত হয়। পাশাপাশি এও জানানো হয় যে ম্যাচে কোনও স্ট্র্যাটেজিক টাইম আউট হবে না এবং ইনিংসের মাঝে ১০ মিনিটের বিরতি হবে।
বৃষ্টিবিঘ্নিত এই ম্য়াচে এদিন টস জিতে প্রথমে বোলিং করতে কোনও দ্বিধা করেননি হার্দিক পাণ্ড্য। গত ম্যাচ মিস করার পর এই ম্যাচে মাঠে ফেরেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক। তবে তাঁর বোলিং নেওয়ার সিদ্ধান্তের পর ব্য়াটে নেমে প্রথম ওভারেই মুম্বইকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন যশস্বী জয়সওয়াল। তিনি দীপক চাহারের বিরুদ্ধে প্রথম ওভারেই ২২ রান তোলেন।
পরের ওভারে যশপ্রীত বুমরা বলে আসেন। তাঁর বিরুদ্ধে বৈভব সূর্যবংশী কেমন ব্যাট করে, সেইদিকে সকলের নজর ছিল। বৈভব প্রমাণ করে দেয় যে সে বিশ্বের সেরা বোলারের বিরুদ্ধেও ব্যাট করতে ভীত নন। বুমরার প্রথম বলটিই স্ট্যান্ডে পাঠায় ১৫ বছরের তরুণ। দেখতে দেখতে মাত্র ২.৪ ওভারেই ৫০ রানের গণ্ডি পার করে ফেলে রয়্যালস।
পঞ্চম ওভারের শেষ বলে অবশেষে ১৪ বলে বৈভবের ৩৯ রানের ইনিংস থামান শার্দুল ঠাকুর। ডিপ কভারে দুরন্ত এক ক্যাচ ধরেন তিলক বর্মা। ততক্ষণে অবশ্য রয়্যালসের ৮০ রান তোলা হয়ে গিয়েছে। তারপর ধ্রুব জুড়েলও তিনে নেমে মাত্র দুই রানে আউট হন। কিন্তু অপরদিকে তখনও যশস্বী টিকে ছিলেন। তিনি ২৩ বলে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন।
চারে নেমে রয়্যালস অধিনায়ক রিয়ান পরাগও শুরুটা ভাল করেছিলেন। তবে জুড়েলের মতো তিনিও আল্লা গজনফরের বলে আউট হন। তবে একদিকে যেখানে একের পর এক ব্যাটার আউট হচ্ছিলেন, সেখানে অপরপ্রান্তে টিকে ছিলেন যশস্বী। বাকি আর কেউ তেমন রান না পেলেও, যশস্বী শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে দলকে ১৫০ রানের গণ্ডি পার করান।
