মুম্বই : ইরান নাকি ভীষণভাবে চুক্তি করতে চাইছে তাঁদের সঙ্গে। ফের একবার এমন দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁকে পাল্টা জবাব দিল ইরানও। তাও আবার শাহরুখ খানের জনপ্রিয় ডায়লগকে হাতিয়ার করে। ট্রাম্পের দাবির জবাবে মুম্বইয়ে ইরানের কনস্যুলেট জেনারেল বলেন, “আভি তো সির্ফ ট্রেলার হ্যায়, পিকচার আভি বাকি হ্যায়।” কনস্যুলেট জেনারেল বলেন, “মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন ইরানের নৌবাহিনী শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু দ্রুতগামী মিসাইল বোট ওয়ার্ম-আপ করছে।” এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “হরমুজ- “পারস্য উপসাগরের লাল মৌমাছি”… হ্যাঁ, দ্রুতগামী ক্ষেপণাস্ত্রবাহী বোটগুলি এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে। মজার ব্যাপার হল, ট্রাম্প দাবি করে আসছিলেন যে ইরানের নৌবাহিনী “শেষ” হয়ে গেছে… এখন তারা জানতে পারবে কীভাবে এক-ঝাঁক মৌমাছি খুব দ্রুত আপনাকে কাবু করে ফেলতে পারে। এখনও তো শুধু ট্রেলার, ছবি এখনও বাকি।”
“Red bees of the #PersianGulf” yeah, the fast missile boats are warming up.
Funny how #Trump kept claiming #Iran’s navy was “finished”… now they’re about to find out how a swarm can pin you down real quick.
Abhi toh sirf trailer hai, picture abhi baaki hai 😏.#HORMUZ pic.twitter.com/Wu0FV5iMIc
— Consulate General of the I.R. Iran in Mumbai (@IRANinMumbai) April 13, 2026
দেড় মাসের বেশি সময় ধরে চলছে ইরানের সঙ্গে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যুদ্ধ। তাতে ইতি টানতে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আলোচনায় বসেছিল আমেরিকা ও ইরান। কিন্তু, কোনও সমঝোতায় না পৌঁছেই ইসলামাবাদ ছাড়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভান্সের নেতৃত্বাধীন টিম। এনিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘাচি। তিনি লেখেন, ‘মিটিং চলাকালীন ভান্সকে নেতানিয়াহুর (ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু) ফোন আমেরিকা-ইরানের সমঝোতার ফোকাস ইজরায়েলের স্বার্থে রূপান্তরিত করে। যুদ্ধের মাধ্যমে আমেরিকা যেটা অর্জন করতে পারেনি, আলোচনার টেবিলে বসে সেটাই পেতে চেয়েছিল।’ প্রসঙ্গত, ২১ ঘণ্টার ওই ম্যারাথন বৈঠকে বেরোয়নি কোনও সমাধান সূত্র। ফলে, দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চলার মাঝে, পাকিস্তানে আলোচনার টেবিলে বসলেও, নিষ্ফলাই রয়ে গেছে আমেরিকা ও ইরানের শান্তি বৈঠক। এ প্রসঙ্গে জে ডি ভান্স বলেছেন, “দুঃসংবাদ এটাই যে আমরা চুক্তি নিয়ে ঐক্যমতে পৌঁছতে পারিনি। আমার মনে হয়, এটা আমেরিকার কাছে যত বড় না দুঃসংবাদ, তার থেকে অনেক বেশি ইরানের কাছে।” এরপরই ইরানের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে জেডি ভান্স, জামাই জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের প্রশংসা করেন ট্রাম্প।
