হায়দরাবাদ: আইপিএলের (IPL 2026) ‘সুপার সানডে’-র প্রথম ম্য়াচে আজ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। সম্মুখসমরে দুই ইনফর্ম দল, কলকাতা নাইট রাইডার্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (SRH vs KKR)। একদিকে নাগাড়ে পাঁচ ম্য়াচ জিতে প্লে-অফের দৌড়ে প্রবলভাবে সামিল হয়ে গিয়েছে সানরাইজার্স। অপরদিকে, নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার কোনও আইপিএল মরশুমের প্রথম ছয় ম্যাচ জয়হীন থাকার পরে বিগত দুই ম্যাচই জিতেছে নাইটরা। এমন পরিস্থিতিতে রবিবার এক টানটান লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
চলতি মরশুমে যখন দুই দল একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিল, তখন বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল সানরাইজার্স। তবে সেই সময় থেকে অনেক কিছুই বদলেছে। কেকেআরের মিডল অর্ডার ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরেছে। দুই স্পিন অস্ত্র বরুণ চক্রবর্তী ও সুনীল নারাইনও ছন্দ ফিরে পেয়েছেন। তবে রবিবারের ম্যাচের আগে যাঁকে নিয়ে সবথেকে বেশি চর্চা, তিনি হলেন মাথিশা পাথিরানা। চোট সারিয়ে প্রায় সপ্তাহ দু’য়েক আগে কেকেআর শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি। নিয়মিত নেটে বেশ ভাল বোলিং করছেন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার।
তবে গত ম্যাচে তাঁর অভিষেক ঘটানোর সম্ভাবনা থাকলেও, তেমনটা হয়নি। সানরাইজার্সের বিরুদ্ধেও পাথিরানা খেলবেন কি না, সেই নিয়ে ম্যাচের আগেভাগে কিছুই জানাননি নাইটদের বোলিং কোচ টিম সাউদি। ম্যাচের দিনই পাথিরানার খেলা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। পাথিরানা খেললে নিঃসন্দেহেই কেকেআরের বোলিং আক্রমণের শক্তি বাড়বে। আর ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে মূলত কেকেআরের বোলিং বনাম সানরাইজার্সের ব্যাটিংয়ের লড়াইয়ের পরিণাম।
ট্র্যাভিস হেড, অভিষেক শর্মার বিরুদ্ধে শুরুতে বৈভব আরোরা, সুনীল নারিন, বরুণ চক্রবর্তীদের বোলিং এবং মিডল ওভার তথা শেষের দিকে পাথিরানা খেললে তাঁর বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে এ মরশুমে পারফর্ম করে চলা হেনরিখ ক্লাসেনের দ্বৈরথ কিন্তু দেখার মতো হতে পারে। ম্যাচ যেহেতু দুপুরবেলায় হবে, তাই শিশিরের তেমন প্রভাব না পড়ারই কথা। তাই দুই দলের স্পিনাররা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। আর এই স্পিনারদের লড়াইয়ে অন্তত খাতায় কলমে এগিয়ে কেকেআর। তবে ২২ গজের লড়াই কোনওদিনই খাতায় কলমে হয় না।
মোটের ওপর বলা বাহুল্য নিজেদের জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে মরিয়া দুই দলের এই ম্যাচের মধ্যে একাধিক মহাতারকা রয়েছে যারা একহাতে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন। দুই দলের মুখোমুখি সাক্ষাতে কেকেআরের পাল্লা ভারী হলেও (৩১ ম্যাচের মধ্যে ২০টিতে জয়ী), ম্যাচে খানিকটা হলেও হয়তো আত্মবিশ্বাসের দিক থেকে সানরাইজার্সই এগিয়ে থেকে মাঠে নামবে।
