May 22, 2026
10a214a37d21875e288ac23869eb5c8e1779475475433206_original.jpg
Spread the love


কমলকৃষ্ণ দে, পূর্ব বর্ধমান: সপ্ত সিন্ধু জয়ের লক্ষ্যে সায়নী দাস। পৃথিবীর সাত সমুদ্র সাঁতরে পার করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনার রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত ওপেন ওয়াটার সাঁতারু সায়নী দাস। ইতিমধ্যেই ছয়টি সমুদ্র সফলভাবে পেরিয়েছেন তিনি। এবার লক্ষ্য জাপানের সুগারু চ্যানেল। আর সেই স্বপ্নপূরণের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল আর্থিক দিক। এই সপ্তম ও শেষ চ্যালেঞ্জ জাপানের সুগারু প্রণালী পার করতে প্রয়োজন ছিল প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা। তার মধ্যে ৯ লক্ষ টাকার ব্যবস্থা করতে পারলেও বাকি ৫ লক্ষ টাকার অভাবে থমকে যাচ্ছিল বহুদিনের সাধনার স্বপ্ন। এই পরিস্থিতিতে সায়নী সাহায্যের জন্য দ্বারস্থ হন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক শ্বেতা আগরওয়ালের কাছে। আর এরপরই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় বর্ধমান জেলা রাইস মিল অ্যাসোসিয়েশন। শুক্রবার জেলাশাসকের কক্ষে অন্যান্য আধিকারিকদের উপস্থিতিতে সায়নীর হাতে পাঁচ লক্ষ টাকার আর্থিক চেক তুলে দিল বর্ধমান ডিস্ট্রিক্ট রাইসমিল অ্যাসোসিয়েশন।

উল্লেখ্য, এটি জাপানের হোনশু (দক্ষিণ) এবং হোক্কাইডো (উত্তর) দ্বীপকে পৃথক করেছে।  সাঁতারু সায়নী দাস বলেন, ‘আমি একজন ওপেন ওয়াটার সাঁতারু। পৃথিবীর সাতটি সমুদ্র সাঁতরে পার করার লক্ষ্য নিয়েছি। তার মধ্যে ছ’টি ইতিমধ্যেই পার করেছি। শেষ সমুদ্র জাপানের সুগারু। এই স্পোর্টস অত্যন্ত ব্যয়বহুল। আর্থিক সমস্যার কারণে প্রস্তুতিতে সমস্যা হচ্ছিল। জেলা প্রশাসন ও রাইসমিল অ্যাসোসিয়েশন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। বাংলা নয়, দেশের জাতীয় পতাকা বিদেশের মাটিতে ওড়াতে চাই। আগামী জুন মাসে ভারত থেকে রওনা দেব। জুলাইয়ের ৩ থেকে ৭ তারিখের মধ্যে আবহাওয়া অনুকূল থাকলে চ্যানেল পার করার অনুমতি মিলবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশকে গর্বিত করা একটা বড় দায়িত্ব। জাতীয় পতাকা বিদেশের মাটিতে ওড়ানো খুবই আবেগের মুহূর্ত। সেই লক্ষ্য নিয়েই প্রস্তুতি চলছে।’ বর্ধমান ডিস্ট্রিক্ট রাইসমিল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল মালেক বলেন, ‘সায়নী ইতিমধ্যেই ছ’টি চ্যানেল পার করেছে। এবার সপ্তম চ্যানেলের জন্য জাপানে যাচ্ছে। আমরা শুধু সামান্য আর্থিক সাহায্য করেছি। সায়নী আজ গোটা দেশের গর্ব। জেলাশাসকের অনুরোধে আমরা সামান্য সহায়তা তুলে দিয়েছি। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাইসমিল অ্যাসোসিয়েশন নিয়মিতভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় ও ভবিষ্যতেও এই ধরনের উদ্যোগে পাশে থাকবে সংগঠন।’ সায়নী ইতিহাস গড়ে বাংলার ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে, এই আশায় বুক বাঁধছেন সবাই।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks