June 3, 2026
d9cd8251aa7af6ba529552d8af7ca80b17805116034981373_original.jpg
Spread the love


নয়া দিল্লি: ইন্ডিয়া ২০৪৭ কনক্লেভ চলছে নয়া দিল্লির তাজ প্যালেসে। আর সেখানেই আজ অতিথি হয়ে এসেছিলেন অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু। তিনি বললেন, তাঁরা চাইছেন যাতে বিমানের ভাড়া মানুষের হাতের নাগালে থাকে। অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী বললেন, “এটা শুধুমাত্র ভাগ্য নয়। আমরা অনেক চেষ্টা করছি যাতে বিমানের ভাড়া মানুষের কাছে সহজলভ্য থাকে। এই যুদ্ধ বা সমস্যা যখন থেকে শুরু হয়েছে, তখন থেকেই মনে হয়েছিল বিমানের জ্বালানিতে এর একটা প্রভাব পড়বে। ফলে, শুরু থেকেই কোনও না কোনও নীতি তৈরি করে একে সাপোর্ট করা উচিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে একটা পথ প্রদর্শন করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, প্রথমে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি যেন কোনও ভাবেই ২৫ শতাংশের বেশি না হয়, সেটা দেখার কথা। তার ফলেই ঘরোয়া বিমান পরিবহণে একটা স্থিতিশীলতা রয়েছে। এয়ারপোর্টে বিমানের ল্যান্ডিং ও পার্কিংয়ের জন্য যে খরক নেওয়া হয়, সেটাও ২৫ শতাংশ কমানো হয়েছে। এর ফলে বিমান সংস্থাগুলোর প্রায় ৪০০ কোটি টাকার মতো খরচ কমে গিয়েছে।”

কনক্লেভে আসার আগেও একটা বৈঠক করেছেন নাইডু, জানালেন এমনই। তিনি বললেন, “আজ একটা ক্যাবিনেট বৈঠক হয়েছে। সেখানে একটা খরচ স্থিতিশীল রাখার জন্য একটা নতুন ফান্ডের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, তেল সংস্থাগুলোকে ১০ হাজার কোটি টাকার একটা ফান্ড দেওয়া হবে। এর ফলে বিমানের জ্বালানির খরচ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। জ্বালানির দামে একটা স্থিতিশীলতা আসবে। জ্বালানির দাম নির্দিষ্ট করা যাবে। আর এর ফলে যদি লাভ হয়, বা যদি ক্ষতি হয় সেই ক্ষেত্রে এই ১০ হাজার কোটির ফান্ডের সঙ্গে সেই বাড়তি টাকা বা কম টাকা ব্যালেন্স করা যাবে। এর ফলে আমাদের বিমান সংস্থাগুলো আগামীতে যদি আরও কোনও রুটে বিমান চলাচল শুরু হয়, তাহলে বিমানের জ্বালানির খরচে একটা স্থিতিশীলতা আসবে। নাহলে রোজ কী হচ্ছে সে তো আমরা জানি। রোজই ভূ রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে যাচ্ছে। এর ফলে বিমানের জ্বালানির দামও বাড়া-কমা করে। আমাদের বিমান সংস্থাগুলোকে একটা স্থিতিশীলতা দেওয়ার জন্যই আমরা বলছি ৩ বছরের জন্য জ্বালানির দাম আমরা নির্দিষ্ট করে দেব। এর জন্য আমরা আগে বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গেও কথা বলেছি।”

কীভাবে কাজ করবে এই ফান্ড? তাও জানালেন অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী। তিনি বললেন, “আমাদের এই পদক্ষেপের একটাই কারণ, যাতে বিমানের ভাড়ায ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির আঁচ যাতে না পড়ে। বিমানের ভাড়ার ৪০ শতাংশ হল জ্বালানির খরচ। আর এখন যা তেলের দাম বেড়েছে তাতে এই খরচ হয়তো ৬০ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে। আর তার প্রভাবও পড়েছে টিকিটে। আর সেটকেই ব্যালেন্স করতে আমরা এই প্রাইস স্টেবেলাইজেশন ফান্ড নিয়ে এসেছি। ধরা যাক জ্বালানির দাম আমরা নির্দিষ্ট করলাম ১১৫ টাকা। কিন্তু বিশ্ব বাজারে সেই দাম ১৪০ টাকা। এই ক্ষেত্রে এই বাড়তি ২৫ টাকা ওই ১০ হাজার কোটির ফান্ড থেকেই দেওয়া হবে। আবার পরে ভূ-রাজনৈতিক  পরিস্থিতি ঠিক হয়ে গেলে যখন তেলের দাম কমে ৯০ টাকা হয়ে যাবে, তখন বাড়তি ২৫ টাকা করে ওই ১০ হাজার কোটির ফান্ডে জমা হবে। আমরা চাইছি এই ভাবে পুরো ব্যাপারটা ব্যালেন্স করতে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks