July 7, 2026
e06211779d958b4363e86fb903ad140c1783418057568338_original.jpg
Spread the love


দামাস্কাস: সিরিয়া সফরে গিয়ে অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল মাকরঁ। দামাস্কাসের যে হোটেলে ছিলেন তিনি, তার ঠিক কাছে পর পর বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন। আহত হয়েছেন চার পুলিশ আধিকারিকও। তবে মাকরঁ অক্ষত রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। (Syria Blasts)

মঙ্গলবার দামাস্কাসে ছিলেন মাকরঁ। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে বৈঠক ছিল তাঁর। তার কিছু ক্ষণ আগেই পর পর বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে চারিদিক। গোটা ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ২০২৪ সালে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর এই প্রথম ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কোনও রাষ্ট্রনেতা সিরিয়া গেলেন। আর সেই সময়ই ঘটল বিস্ফোরণ। ফলে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। (Emmanuel Macron in Syria)

আরও পড়ুন: ‘তিন দিন পর কেন এলেন’? বারুইপুরে সায়নীকে ঘিরে বিক্ষোভ, বন্ধ করে দেওয়া হল দরজা, সাংসদ বললেন…

সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মাকরঁ যে হোটেলে ছিলেন, তার কাছেই পর পর বিস্ফোরণ ঘটে। ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারিদিক। সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণস্থল ঘিরে ফেলা হয়। ফাঁকা করে দেওয়া হয় গোটা এলাকা। ওই অভিমুখে যাওয়ার সব রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। মোতায়েন করা হয় পুলিশ ও সেনা।

ঘটনার সময়কার একটি ভিডিও খতিয়ে দেখে BBC জানিয়েছে, ‘Four Seasons’ হোটেল থেকে ১২৫ মিটার দূরত্বে পর পর বিস্ফোরণ ঘটে। তবে সেই সময় শারার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন মাকরঁ।  বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাননি তিনি।

আরও পড়ুন: আরও একটি নতুন রাজনৈতিক দল, এবার কংগ্রেস ভেঙে? ১০০ কোটির অপারেশন, বলছে হাতশিবির, তৃণমূল-AAP থেকেও গেলেন অনেকে

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদের খবর অনুযায়ী, এদিনই মাকরঁ এবং শারা প্রেসিডেন্সিয়াল ভবনে সাক্ষাৎ করেন। মাকরেঁর এই সফর সিরিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই মুহূর্তে সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সিরিয়া। আসাদ সরকারের পতনের পর শারা দেশের দায়িত্ব হাতে নিয়েছেন। একদা জঙ্গি সংগঠন ‘আলকায়দা’র সদস্য ছিলেন তিনি। যুদ্ধবিধ্বস্তের ইতিহাস পিছনে ফেলে নতুন করে সিরিয়াকে দাঁড় করাতে চান তিনি। 

প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে সিরিয়া কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। ইসলামিক স্টেটে (ISIS)-র মতো জঙ্গি সংগঠন ঘাঁটি গাড়ে সেখানে। সেখান থেকে নতুন করে সিরিয়াকে দাঁড় করানোর কথা যদিও বলছেন শারা, তবে সশস্ত্র সংগঠন, ধর্মীয় সংগঠনগুলির সঙ্গে সরকারি বাহিনীর সংঘর্ষ ঘটেই চলেছে। জুলাই মাসের শুরুতেই মধ্য দামাস্কাসে একটি ক্যাফেতে বিস্ফোরণ ঘটে, যাতে ন’জন প্রাণ হারান। আহত হন ২২ জন।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks