মেলবোর্ন: অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সেখানে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখে ভারতের মাটিতে হতে চলা কমনওয়েলথ গেমসের কথা। চার বছর পর ভারতে বসতে চলেছে কমনওয়েলথ গেমসের আসর। সেই বিষয়ে নিশ্চিত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঐতিহাসিক মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড দর্শনে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্য়ান্টনি অ্য়ালবানিজকে পাশে নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘ভারত ২০৩০ সালে কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন করতে চলেছে। আমরা ২০৩৬ সালে দেশের মাটিতে অলিম্পিক্স আয়োজনের লক্ষ্যে কাজও করে চলেছি। ২০৩২ সালে ব্রিসবেন অলিম্পিক্সের আয়োজক হবে। ভারত ও অস্ট্রেলিয়া দু’টো দেশের ক্রীড়াস সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলেই আমি আশাবাদী।’
#WATCH | Melbourne, Australia | During his visit to Melbourne Cricket Ground (MCG), Prime Minister Narendra Modi says, “India is set to host the Commonwealth Games in 2030. We are also striving to host the Olympics in India in 2036. Brisbane will host the Olympics in 2032. Sports… pic.twitter.com/FdFSa4tm0Y
— ANI (@ANI) July 10, 2026
আগেই কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল যে আগামী মরশুমে বিগ ব্যাশের ম্য়াচ হতে পারে ভারতের মাটিতে। প্রধানমন্ত্রী বলছেন, ‘আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে ভারতের চেন্নাইয়ে একটি বিগ ব্যাশ লিগের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। যে কোনও ক্রীড়া লিগের ক্ষেত্রে, ভারতে কোনও ইভেন্ট আয়োজন করা মানেই ব্যাপক পরিসরে পৌঁছনো ও বিপুল দর্শকসংখ্যা নিশ্চিত হওয়া।’
নতুন ভারত গড়ার বার্তা বারবারই দিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিছুদিন আগে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শে সোমবারের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য় রাখেন প্রধানমন্ত্রী। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্য়ায়ের আদর্শে শক্তিশালী ভারত গড়ে তোলার কথা শোনা যায় তাঁর মুখে। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে এত সুন্দর অনুষ্ঠানের জন্য অভিনন্দন জানাই। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন একটি দর্শন থেকে জন আন্দোলনের পরিণতির প্রেরণা জুগিয়েছে। তিনি ভারতে একটি দার্শনিক আন্দোলনের জন্ম দিয়েছিলেন। দেখুন যেই সময় জনসংঘের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তখন কংগ্রেসের জয়জয়কার ছিল। ঠিক এমন একটা সময়ে অন্য কোনও বিচার বা দর্শনের কোনও স্থানই ছিল না। পা রাখার জায়গাটুকুও পাওয়া কঠিন ছিল। তখন ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ওই পরিস্থিতিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে, একটি নতুন দর্শনের শুরু করার সাহস দেখিয়েছিলেন। এটা শুধুই একটি সংগঠন বানানোর সিদ্ধান্তই ছিল না, একটি রাজনৈতিক দলকে জন্ম দেওয়ার বিষয়ও শুধু ছিল না, এটি গণতন্ত্রে দার্শনিক বিবিধতা, রাষ্ট্রীয় ভাবনা এবং গণঅংশীদারীত্বের উপর তার অটুট বিশ্বাসের অভিব্যাক্তি ছিল।’
