মুম্বই: ইংল্যান্ডের(India vs England) বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে(T20 Series) অভিষেক হয়েছিল তার। মাত্র ১৫ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে মাত্র তিনটি ইনিংস খেলেছে সে এখনও পর্যন্ত। ঝুলিতে মাত্র ৪২ রান। আইপিএলে অরেঞ্জ ক্যাপ পাওয়ার পর যে আশা রেখে বৈভব সূর্যবংশীকে জাতীয় দলে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, তেমন আহামরি পারফরম্য়ান্স করতে পারেনি বিহারের কিশোর ব্যাটার। সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে তাই ফের বৈভবকে বসিয়ে সঞ্জু স্যামসনকে সুযোগ দেওয়া হয়। এবার নিজের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের শুরু, প্রস্তুতি ও মানসিকতা নিয়ে বিসিসিআই টিভিতে খোলামেলা সাক্ষাৎকার দিল বৈভব সূর্যবংশী।
আগামী বৃহস্পতিবার থেকে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলতে নামবে ভারত। এই সিরিজেও ভারতীয় দলের সঙ্গেই আছে বৈভব। প্রস্তুতির ফাঁকেই সে জানাল, ‘গত চার মাসে বেশ কিছু উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে আমাদের। তবে এটা ক্রিকেটেরই অংশ, এমনটা ঘটতেই থাকবে। আমার মূল লক্ষ্য হল সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা ও দলের জন্য নিজের ১০০ ভাগ উজাড় করে দেওয়া।’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শুরুটা ভাল না হলেও, হতাশ হতে চাইছে না বৈভব। পরিবার, কোচ, সাপোর্ট স্টাফরা যেভাবে তাকে সাপোর্ট করছে প্রত্যেক মুহূর্তে সেখান থেকেই মানসিক শক্তি পেতে চাইছে বৈভব। রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে আইপিএল খেলা বৈভব বলছে, ‘আমি নিজের মনোবল শক্ত রাখার চেষ্টা করি সবসময়। এখানে জিম্বাবোয়ের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটা আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জ। আমি ব্যক্তিগতভাবে দলের থেকে বিশাল সমর্থন পাচ্ছি। যখন যেভাবে কোচ বলছেন, সেভাবেই অনুশীলন করছি। আমাকে সবরকমভাবে সাহায্য় করা হচ্ছে।’
এদিকে, রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির পাশে দাঁড়ালেন প্রাক্তন ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ভারতের হয়ে অন্তিম ম্যাচের জল্পনার মাঝেই রোহিত শর্মা লর্ডসে প্রথম ভারতীয় হিসাবে ওয়ান ডেতে শতরান হাঁকিয়েছেন ‘হিটম্যান’। ১১০ বলে ১৩৮ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। অশ্বিনের মতে রোহিত যদি সঠিক মানসিকতায় খেলতে পারতেন, তাহলে তিনি ভারতকে ব্যাট হাতে ম্যাচ জেতাতে পারতেন। তাঁর দাবি, ‘এটা দুরন্ত ইনিংস ছিল। ও জশ টাঙের বিরুদ্ধে দুরন্ত পুল শটটা মারার পরেই বুঝে গিয়েছিলাম বড় ইনিংস আসতে চলেছে। আমার মনে হচ্ছে এটা খানিকটা ওর চোট সারিয়ে ফেরার পথের শুরু। ও যদি মানসিকভাবে ভাল জায়গায় থাকত, যদি আরেকটু আত্মবিশ্বাসী হত, তাহলেই ১৮০ মতো রান করে ভারতকে ম্যাচ জিতিয়ে দিত।’
