কলকাতা: হাতে আর মাত্র ২ দিন। তারপরই শেষে হয়ে যাবে আয়কর রিটার্ন ফাইল (Income Tax Return File) করার সময়সীমা। অনেকেই এই শেষ মুহূর্তে এসে আয়কর রিটার্ন (IT Return) দাখিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে, রিটার্ন জমা করতে গিয়ে তাড়াহুড়ো একদম করবেন না। তাতে কাজে ভুল হলে কিন্তু প্রসেসিংয়ে দেরি হতে পারে। সেই কারণেই আয়কর রিটার্ন (ITR) দাখিল করার আগে কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট ভাবে দেখে নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুন: E20 Petrol নিয়ে ভুয়ো প্রচারের অভিযোগ, এবার নীতিন গড়করিকে নিয়ে বড় নির্দেশ বম্বে হাইকোর্টের
সবার আগে আপনাকে সঠিক আইটিআর ফর্ম নির্বাচন করতে হবে। আপনার আয়ের উৎস অনুযায়ী আপনাকে এই ফর্ম বেছে নিতে হবে। কারণ, ভুল ফর্মে যদি রিটার্ন জমা দেন আপনি তাহলে সেই রিটার্ন জমা করলেও সেটার প্রসেসিংয়ে একাধিক সমস্যা হতে পারে।
রিটর্নে আপনার আয়ের সব উৎস উল্লেখ করতে হবে। বেতন, ব্যাঙ্ক থেকে প্রাপ্ত সুদ, স্থায়ী আমানতের সুদ, বাড়ি ভাড়া থেকে উপার্জন, ক্যাপিটাল গেন, ফ্রিল্যান্স বা ব্যবসার আয়; সব তথ্যই জানাতে হবে সঠিক ভাবে। আপনার আয়ের কোনও তথ্য যদি বাদ পড়ে তাহলে আপনার কাছে আয়কর দফতরের নোটিশ আসতে পারে।
এ ছাড়াও রিটার্ন জমা করার আগে ব্যক্তিগত তথ্যও ভাল করে যাচাই করে নেওয়াও জরুরি। প্যান, আধার, নাম, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর, ই-মেল ঠিকানা এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর ও আইএফএসসি কোড সঠিক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে।
এছাড়া ফর্ম ১৬, ফর্ম ২৬এএস, অ্যানুয়াল ইনফরমেশন স্টেটমেন্ট (AIS) এবং ট্যাক্সপেয়ার ইনফরমেশন সামারি (TIS)-এর সঙ্গে আইটিআরের তথ্য মিলিয়ে দেখা উচিত। ফর্ম ১৬-তে বেতন ও নিয়োগকর্তার কাটা করের তথ্য থাকে, আর ফর্ম ২৬এএস-এ প্যানের ভিত্তিতে জমা হওয়া করের বিবরণ পাওয়া যায়। এআইএস-এও বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনের তথ্য থাকে। কোনও অসঙ্গতি থাকলে আগে তা সংশোধন করা উচিত।
যোগ্যতা অনুযায়ী কর ছাড়ের দাবিও সঠিকভাবে করতে হবে। বিনিয়োগ, স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়াম, এনপিএসে অবদান, গৃহঋণের সুদ বা অনুমোদিত অনুদানের ক্ষেত্রে বৈধ নথি থাকলেই কেবল ছাড় দাবি করা উচিত। পাশাপাশি কর বকেয়া থাকলে রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে তা পরিশোধ করে চালানের তথ্যও সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে।
