August 6, 2026
78f5ae8dce97cfd241122062b5eb3e0a17859944641091373_original.jpg
Spread the love


গ্লাসগো: কমনওয়েলথ গেমস শেষ হওয়ার পর স্কটল্যান্ডের রাজধানী গ্লাসগো থেকে নিখোঁজ পাকিস্তানের বক্সার কুদরতুল্লা। তবে শুধু পাকিস্তান নয়, স্কটল্যান্ডের পুলিশ জানিয়েছে আরও বেশ কিছু খেলোয়াড় একই সঙ্গে নিখোঁজ। এমনকি পাকিস্তানের তরফেও জানানো হয়েছে তাঁদের জাতীয় যে দল গ্লাসগো গিয়েছিল সেই দলের সঙ্গে ফেরেননি কুদরতুল্লা। তবে, এবারই প্রথম নয়, এর আগেও বারে বারে বিভিন্ন জায়গায় খেলতে গিয়ে হারিয়ে গিয়েছেন পাকিস্তানি বক্সাররা। এমন কেন হয়?

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য ভবনে ‘চিঠির পাহাড়’, রয়েছে ১০ বছরের পুরোনো চিঠিও, দ্রুত উত্তর দেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের

সাম্প্রতিক অতীতে কারা নিখোঁজ?

পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের মধ্যে এই বিষয়টা একাধিকবার ঘটায় সে দেশের দলের যে ম্যানেজাররা আসেন, তাঁরা খেলোয়াড়দের পাসপোর্ট নিজের কাছে রেখে দেন। কিন্তু তাতেও কাজের কাজ কিছু হয় না। একাধিক বার দেখা গিয়েছে তারপরও খেলোয়াড়রা উধায় হয়ে যান।

কুদরতুল্লা (অগস্ট ২০২৬): গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমস শেষ হওয়ার পর দেশে ফেরার মাত্র ৬ ঘণ্টা আগে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে টিম হোটেল থেকে নিখোঁজ হয়ে যান কুদরতুল্লা। যদিও তাঁর পাসপোর্ট বা ফেরার টিকিট কিন্তু তাঁর কাছে ছিল না।

জোহাইব রশিদ (২০২৪): এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন পাকিস্তানি বক্সার জোহাইব রশিদ। যদিও ইতালির বুস্তো আরসিজিওতে যখন অলিম্পিক কোয়ালিফায়ার হচ্ছিল, সেই সময় নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। পরবর্তীতে প্রকাশ্যে এসে তিনি জানিয়েছিলেন তীব্র অর্থকষ্ট ও সুযোগের অভাবের কারণেই তিনি পালীয়েছিলেন।

সুলেমান বালুচ ও নজির-উল্লা খান (২০২২): ২০২২ সালের কমনওয়েলথ গেমস শেষেও এমন অবস্থা হয়। পাকিস্তানে ফেরার ঠিক আগেই নিখোঁজ হয়ে যান সে দেশের দুই বক্সার সুলেমান বালুচ ও নজির-উল্লা খান।

নিখোঁজ হওয়ার পিছনে মূল কারণ কী?

চরম আর্থিক সঙ্কট: পাকিস্তানি ক্রীড়াবিদরা অনেক ক্ষেত্রেই তীব্র আর্থিক অনটনের মুখোমুহি হন। এ ছাড়াও সঠিক সুযোগের অভাব তো আছেই।

ক্যারিয়ার তৈরিতে সুযোগ কম: একদিকে আর্থিক অনটন আর অন্যদিকে অবসরের পর বা মধ্য গগনে থাকাকালীনও পাকিস্তানি বক্সারদের জন্য বিশেষ কোনও সুযোগ বা কোনও সরকারি সহায়তার ব্যবস্থাও থাকে না।

ভবিষ্যতের খোঁজ: বিদেশে খেলতে গিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়া বা বিকল্প কাজ খুঁজে আরও বেশি একটু উপার্জন করার মতো সুযোগ পাকিস্তানি বক্সারদের কাছে খুব একটা আসে না। আর সেই কারণেই এমন সুযোগ পেলে উধাও হয়ে যান অনেকেই।

আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য আপনাকে আপনার পঞ্চায়েত বা ওয়ার্ড অফিস থেকে ডেকে পাঠানো হয়েছে? কেন জানেন?

এমন ধরনের ঘটনা পাকিস্তানের অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন ও অন্যান্য ক্রীড়া সংস্থাগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক লজ্জার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে অন্যান্য দেশগুলো পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের ভিসার ক্ষেত্রে আরও কঠোর নীতি প্রয়োগ করতে পারে। যা যে কোনও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের অংশ নেওয়াকে আরও কঠিন করে দেবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks