ঢাকা : ১৭ বছর পর ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি বা BNP-র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। সামনেই নির্বাচন বাংলাদেশে। এবার মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তারেক রহমান। সংবাদ সংস্থা ডেইলি স্টার সূত্রের খবর। তাদের খবর অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তারেক। ঢাকা ডিভিশনাল কমিশনারের অফিসে মনোনয়নপত্র জমা করা হয়। তারেকের পক্ষে তা জমা করেন BNP চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম এবং ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ-এর মুখ্য উপদেষ্টা ফারহাদ হালিম ডোনার। এর আগে ঢাকা-১৭ আসনের ভোটার হিসাবে নিজের নাম নথিভুক্ত করান BNP-র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। এরপরই দলের সিনিয়র নেতারা তাঁকে ওই কেন্দ্র থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আর্জি জানান।
২০০৭ সালের, ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশে জারি হয়েছিল জরুরি অবস্থা। সেনা-সমর্থিত সরকারের হাতে চলে যায় দেশের শাসনক্ষমতা। দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হন তারেক রহমান। ১৮ মাস জেলে থাকার পর ২০০৮-এর সেপ্টেম্বরে ছাড়া পান তিনি। ওই বছর বাংলাদেশের ভোটে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী হয় শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগ। এরপর তারেকের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা হয়। ২০০৪ সালে আওয়ামি লিগের সভায় গ্রেনেড হামলায় ২৪ জনের মৃত্যুর মামলায় নাম জড়ায় খালেদা পুত্রের। ওই বছরই ১১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ছেড়ে লন্ডনে চলে যান তিনি। দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া জেলে যাওয়ার পর সেখান থেকেই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দল পরিচালনা করছিলেন তারেক রহমান।
২০২৪ সালের অগাস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর তাঁর বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহার করে নেয় ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচনের আগে ফের সপরিবারে ঢাকায় ফিরেছেন তারেক রহমান। জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ের ধারে বিশাল জন সমাগমের মধ্যে করেন সভা। ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামে তারেকের বিমান। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী জুবায়দা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে খালি পায়ে মাটি স্পর্শ করে এক মুঠো মাটি নেন তারেক। তারপর বিশেষ বুলেটপ্রুফ বাসে করে রওনা দেন। তারেককে দেখতে রাস্তার দু’পাশে বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থক জমায়েত করেন। সভা সেরে মা খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যান তারেক রহমান। তারেক রহমানের স্বদেশে প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে উজ্জীবিত দলের নেতা-কর্মীরা। Bangladesh
