EPFO Claim : আপনার ইপিএফও (Employees’ Provident Fund Organisation) অ্যাকাউন্ট আছে কি? তাহলে কিন্তু আপনার জন্য একটা খবর রয়েছে। আসলে বর্তমানে সরকার এই ইপিএফও (EPFO) সিস্টেমকে খুব দ্রুত ডিজিটাইজ করছে। আর এর ফলে একাধিক প্রক্রিয়া আগের থেকে দ্রুত সম্পন্ন করা সহজ হবে। এর মধ্যে রয়েছে পেনশন বা ক্লেম সেটেলমেন্টের মতো বিষয়। এর মধ্যে সেন্ট্রালইজড পেনশন (Pension) পেমেন্ট সিস্টেমে এসেছে সব থেকে বড় বদল।
অটোমেটিক ক্লেম সেটেলমেন্ট পদ্ধতি
ক্লেম সেটেলমেন্টের বিষয়ে একাধিক বড় ধরনের উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কেউ যদি তুলে নিতে ছয়, তাহলে সেই ক্লেম সেটেল হচ্ছে নিজে নিজেই। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির হিসাব বলছে, ৩ কোটি ৫০ লক্ষ ক্লেম এই পদ্ধতিতে সেটেল হয়েছে। আর এর ফলে প্রায় ৫১ হাজার কোটি টাকা মানুষকে দেওয়া গিয়েছে। এ ছাড়াও ৭০ শতাংশ ক্লেম এই ভাবেই সেটেল হচ্ছে বলে খবর, ফলে EPFO অ্যাকাউন্ট হোল্ডাররা তাদের প্রাপ্য টাকা খুব দ্রুত পেয়ে যাচ্ছেন।
নিজের টাকা সরিয়ে নিন দ্রুত
চাকরি বদলের ক্ষেত্রে ইপিএফ ব্যালেন্স অনেকেই সরিয়ে নেন। আর এই প্রক্রিয়াটি করা বর্তমানে আগের থেকে অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই স্বয়ংক্রিয় ভাবে ৭০ লক্ষের বেশি অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা অন্যত্র সরয়ে নিয়েছেন EPFO অ্যাকাউন্ট হোল্ডাররা। এই কাজের জন্য EPFO-এর কর্মী বা ওই ব্যক্তি যে সংস্থায় চাকরি করেন, সেই সংস্থার কোনও কর্তাকে কোনও ধরনের হস্তক্ষেপ করতে হয়নি।
কারও কেওয়াইসি যদি সঠিক ভাবে করা থাকে, তাহলে আগের সংস্থা বা বর্তমান সংস্থা, কারও কোনও অনুমোদনের প্রয়োজন পড়ে না। আগে এই ধরনের ক্লেম সেটেল করতে সময় লেগে যেত প্রায় ২০ দিন। বর্তমানে এই ক্লেম সেটেল করতে সময় লাগছে ৩ দিনের থেকেও কম। এর ফলে, সাধারণ চাকরিজীবীদের জন্য এটা একটা স্বস্তির বিষয়।
EPFO 3.0 আসলে কী ?
EPFO 3.0 হল কেন্দ্রের সরকারের একটা উদ্যোগ। যার মাধ্যমে এমপ্লয়ইজ প্রভিডেন্ট ফান্ডের তহবিলকে অফলাইন থেকে ডিজিটাইজ করা হচ্ছে। একাধিক প্রক্রিয়াকেও অনলাইন করা হয়েছে। এর ফলে সুবিধা পাবেন সাধারণ মধ্যবিত্ত EPFO অ্যাকাউন্ট হোল্ডাররা। এর উদ্দেশ্য, কাগজের ব্যবহার কমিয়ে নিয়ে আশা ও EPFO-র সব পরিষেবাকে একই অনলাইন ছাতার নীচে নিয়ে আসা।
