কলকাতা : সময়ের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর পরিমাণ জেন বেড়েই চলেছে। সম্প্রতি একটি ভিডিও থাম্বনেল ভাইরাল হয়েছিল যেখানে দাবি করা হচ্ছিল যে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নাকি ফের লকডাউন ঘোষণা করছেন। এ ছাড়াও দাবি করা হয়েছিল দেশজুড়ে নাকি তৈরি হচ্ছে বিরাট বড় এক সঙ্কট। এ ছাড়াও এই দাবির উপর ভিত্তি করে ওই থাম্বনেলে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
আর এই বিষয় নিয়েই এবার সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ পোস্ট করেছে PIB Fact Check। তারা সেখানে স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে এই দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যে ও এই দাবির কারণে এক প্রকার বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বা কেন্দ্রের তরফে এমন কোনও ঘোষণা করাই হয়নি। সরকারি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে দেশে বর্তমানে লকডাউন জারি করার কোনও পরিকল্পনা নেই সরকারের।
দেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সি সেনথিল রাজন জানিয়েছেন, ইচ্ছাকৃতভাবে এমন ধরনের একাধিক গুজব ছড়ানো হচ্ছে যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। তিনি আরও বলেন, জ্বালানি বা এলপিজি সরবরাহ নিয়েও আতঙ্ক তৈরি করা হচ্ছে যার কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। এর আগেও এলপিজি ঘাটতির ভুয়ো খবর ছড়িয়ে অযথা বুকিংয়ের একটা হিড়িক দেখা গিয়েছিল। কিন্তু সেই পরিস্থিতিও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আশা হয় বলেও জানান তিনি।
सोशल मीडिया पर वायरल एक वीडियो के थंबनेल में दावा किया जा रहा है कि प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी ने लॉकडाउन का ऐलान कर दिया है और देश में बड़ा संकट आ गया है, जिससे लोगों को घरों में बंद रहना पड़ेगा।#PIBFactCheck
❌ यह दावा पूरी तरह से फर्जी है।
✅प्रधानमंत्री या केंद्र सरकार की… pic.twitter.com/zh00R4fk4C
— PIB Fact Check (@PIBFactCheck) March 27, 2026
গত কয়েকদিনে পেট্রোল ও ডিজেলের সরবরাহ নিয়ে একই ধরনের একটা গুজব ছড়িয়েছে বলেই খবর। সরকার স্পষ্ট করেছে যে জ্বালানির কোনও অভাব এখনও নেই। আর সেই কারণেই সরকার সাধারণ মানুষকে অযথা পেট্রোল পাম্পে ভিড় না করতে পরামর্শ দিয়েছে।
সরকারি সূত্রে খবর, রাজ্যগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে ভুয়ো খবর ছড়ানো, মজুতদারি বা কালোবাজারির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ ছাড়াও আরও বলা হয়েছে যে বর্তমানে সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে, ফলে আতঙ্কের কোনও কারণ নেই।
দেশের সাধারণ নাগরিকদের কাছে PIB আবেদন করেছে যে সোশ্যাল মিডিয়ায় চটকদার খবরে ভরসা না করতে। শুধুমাত্র সরকারি ও নির্ভরযোগ্য খবরের সূত্রের উপর ভরসা করতে বলা হয়েছে। সন্দেহজনক কোনও তথ্য বা ভিডিও দেখলে তা Press Information Bureau-এর ফ্যাক্ট চেক ইউনিটে পাঠিয়ে সেই তথ্য বা ভিডিওর সত্যতা যাচাই করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
