March 24, 2026
5ee5ed7f8042606f98f3d62bcd96fb181774341561237170_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি : পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। বিশেষ করে জ্বালানি সংকট নিয়ে ব্যতিব্যস্ত বহু দেশ। যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে সাধারণ মানুষের জীবনে। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধে দ্রুত পরিসমাপ্তি চাইছে সকলেই। এই আবহে বড় খবর সামনে আসছে। আমেরিকার সঙ্গে সমঝোতা করতে রাজি আছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই। ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যমকে উদ্ধৃত করে এক রিপোর্টে এমনই দাবি করেছে অল আরবিয়া।

গত কয়েকদিন ধরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা চলছে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন। এরইমধ্যে রিপোর্টে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সম্মতির কথা সামনে এল। যার জেরে আশার আলো দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, রবিবার আলোচনা হয়েছে এবং তা জারি থাকবে বলে মনে হচ্ছে। যুদ্ধ থামাতে শীঘ্রই একটা চুক্তিতে পৌঁছানো যাবে বলে ইঙ্গিতও দিয়ে রাখেন তিনি। ট্রাম্প জানান, মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এবং তাঁর জামাতা ও ঘনিষ্ঠ সহযোগী জ্যারেড কুশনার ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন। যদিও ইরানের একটি নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, আমেরিকার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে…কোনওভাবেই আলোচনা হয়নি। প্রসঙ্গত, ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, খুব তাড়াতাড়ি একটা সমাধান-সূত্র পাওয়া যেতে পারে।

গত শনিবারই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, হরমুজ প্রণালী যাতায়াতের জন্য যদি আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরান খুলে না দেয় তাহলে ইরানের পরিকাঠামোয় বোমা নিক্ষেপ করা হবে। ইউএস সেন্টকম জানায়, মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালী ও আশপাশে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে এমন ইরানি নৌ টার্গেটগুলিকে ধ্বংস করছে। ট্রাম্পের হুমকির পর পরই আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনে (IMO) নিযুক্ত ইরানের প্রতিনিধি আলি মুসাভি জানিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালী সবার জন্য বন্ধ নয়। তবে ইজরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো “শত্রু রাষ্ট্রগুলির” সঙ্গে যুক্ত জাহাজগুলি চলাচলের অনুমতি পাবে না। মুসাভি জানিয়েছেন, যেসব জাহাজ ইরানের শত্রু নয়, তারা তেহরানের সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা সমন্বয় করে চলে, তারা এই রুট ব্যবহার করতে পারবে। 

এরপরই খবর আসে হরমুজ প্রণালীতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে ইরান। এই সংকীর্ণ জলপথ থেকে সুবিধা আদায়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। কিছু জাহাজ এই জলপথ অতিক্রম করলে তাদের ২ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৮.৮ কোটি টাকা) চার্জ করার সিদ্ধান্ত নেয় ইরান। ইরান ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ইরান সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির সদস্য ও আইনপ্রণেতা আলাউদ্দিন বোরুজের্দি রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান ব্রডকাস্টিং (আইআরআইবি)-কে জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ নিয়ন্ত্রণের নতুন পদ্ধতির সূচনা করে ব্যাপক হারে টোল আদায় ইতিমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks